Pages

Categories

Search

আজ- বুধবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

৬ বছর পর নিউ ইয়র্কে প্রকাশ্যে এসে তোপের মুখে ড. ফখরুদ্দিন

নভেম্বর ১৬, ২০১৫
জাতীয়
No Comment

image_150237_0_7662নিউ ইয়র্কে বন্ধুর জানাজা নামাজে যোগ দিতে এসে বাংলাদেশী কমিউনিটির তোপের মুখে পড়েন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ। শুক্রবার নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে জুমার নামাজ শেষে বন্ধু আবদুল মুনিম চৌধুরীর জানাজার নামাজ পূর্বে বক্তব্য দেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬ বছর পর ঘর থেকে বাইরে এলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই প্রধান উপদেষ্টা।

জানাজা শুরুর আগে প্রয়াত বন্ধুর জন্য সবার কাছে দোয়া চান ফখরুদ্দিন। এসময় জামাইকা মুসলিম সেন্টারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন আহমদকে দেখে অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন বলে জানা গেছে। জানাজা শেষে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তবে ফখরুদ্দিন আহমদকে উদ্দেশ্য করে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির খারাপ মন্তব্য নিউ শহরের সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়েছে।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ড. ফখরুদ্দিন আহমদ তাঁর বন্ধু আবদুল মুনিম চৌধুরীর জানাজায় যোগ দিতে প্রথম জামাতে অংশ নেন। জামাত শেষে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আক্তার হোসেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও আবদুল মুনিম খানের বন্ধু ড. ফখরুদ্দিন আহমদ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন বলে ঘোষণা দেন। মূলতঃ এই সময় মুসল্লিরা তার উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারেন। উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে ড. ফখরুদ্দিন আহমদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে বসবাস করছেন। প্রথমবারের মতো তাকে নিউ ইয়র্ক শহরে দেখা গেল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রবাসীরা।

ড. ফখরুদ্দিন তার বক্তব্যে নিজের ও বন্ধুর জন্য দোয়া কামনা করেন। পরে মসজিদ কমিটির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে ইমাম জানাজা নামাজ পড়ান। এরপর নামাজ শেষে ফখরুদ্দিন আহমেদ মসজিদ থেকে বের হতেই গালাগালি দিয়ে তেড়ে আসেন কয়েকজন বাংলাদেশী মুসল্লি। তারা বলতে থাকেন, বাংলাদেশকে ৫০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন এই ফখরুদ্দিন। তার দোয়া চাওয়ার কোনো অধিকার নেই।

এঘটনায় তাৎক্ষিণক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাংলাদেশ আমেরিকান অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কামাল ভূইয়া বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় তার কমবেশি ভুল থাকতেই পারে। কিন্তু এই অযুহাতে কেউ মসজিদে আসলে তাকে গালাগালি করাটা অশোভন কাজ বলে মনে করি।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে ড. ফখরুদ্দিন আহম্মেদ যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বসবাস করলেও এই প্রথম জনসন্মুখে আসলেন। বিশেষ করে প্রথমবারের মতো নিউ ইয়র্কে এই প্রথম তাকে দেখা গেল। মসজিদ থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার সময় এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। স্যার দেশ কেমন আছে? জবাব না দিয়েই দ্রুত মসজিদ এলাকা ত্যাগ করেন ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ।