Pages

Categories

Search

আজ- মঙ্গলবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

১৫ মে নির্বাচন করা আমার মনে হয় সম্ভব হচ্ছে না – সিইসি

মঞ্জুর হোসেন মিলন : প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ফোর্স ডিপ্লয়, গাড়ি রিকুইজিশন, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এতগুলো কাজ এই সময়ের মধ্যে করা আমি অসম্ভব মনে করি। আমাদের তারিখ পরিবর্তন করতে হবে। ১৫ মে তারিখে নির্বাচন করা আমার মনে হয় সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও দেখি- কোর্ট কি রকম নির্দেশ দেন? কোর্ট যদি বলে ১৫ তারিখ নির্বাচন করতে হবে। এ রকমও তো আদেশ আসতেও পারে। তখন আমরা যে ভাবেই হউক সেটা করব। কোর্টের আদেশ পালন করতে হবে আমাদের।

সিইসি বলেন, জেলা প্রশাসক, নির্বাচন কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপারের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তারা প্রত্যেকেই বলেছেন- এটা সম্ভব না। নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ১১ হাজার পুলিশ ডেপ্লয় করতে হবে, ৫/৬শ গাড়ি রিকুইজিশন দিতে হবে তাদের জন্য। ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে হবে, তারা বিভিন্ন জেলা থেকে আসবেন, সাড়ে ৮ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এই এতগুলো কাজ এই সময়ের মধ্যে করা আমি অসম্ভব মনেকরি।
তিনি আরো বলেন, এখন এতো ক্রিটিক্যাল সময় হয়ে গেছে, আমি মনেকরি আজকেও (বুধবার) যদি একটা সিদ্ধান্ত আসত তাহলেও হত। আমরাও আপিলের জন্য উকিল নিয়োগ করেছি।
তিনি বুধবার জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন এবং জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় সভা শেষে দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, আমাদের দু ধরণের নির্বাচন করতে হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন। স্থানীয় সবরকার নির্বাচন করি আমরা সংবিধানের আলোকে সংবিধান বলে আইন তৈরি করা হয়েছে সে আইনের আলোকে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন তাদের অনুরোধে আমরা পরিচালনা করি। স্থানীয় সরকার বিভাগ যখন চিঠি দিয়ে জানায় যে আমারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আমাদের অসুবিধা নেই। তখন আমরা নির্বাচনের তফছিল ঘোষণা করি। সুতরাং তাদের সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে বা অন্য কোন বিষয়ে আইনী জটিলতা আছে কি-না সেটা তারা পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই আমাদের বলে যে আপনারা নির্বাচন করেন। তখন আমারা আর কিছু দেখার প্রযোজন মনে করি না, সুযোগ থাকে না। তবুও গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় আমরা তাদের আলাদা চিঠি দিয়েছি, সীমানা কোন জটিলতা আছে কি-না? কোর্টে কোন মামলা নিষপ্তির অপেক্ষায় আছে কি-না? তখন তারা চিঠি দিয়েছে-কোথাও কোন বিভেদ নেই, সীমানা নির্ধারণ নিয়ে কোন সমস্যা নেই। তখনই আমরা তফছিল ঘোষণা করি।
তিনি আরো বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিতের আগে আমরা একেবারেই বিষয়টি জানি না। যে দিন শুনানী হয় সে দিনও নির্বচন কমিশন বিষয়টি জানে না। মাননীয় উচ্চ আদালত বিচার বিশ্লেষণ করেই আদেশ দিয়েছেন। এই আদেশ আমাদের যে কোন প্রতিষ্ঠান হউক না কেন আমরা পালন করতে বাধ্য। আদেশ আমরা পালন করব।’
এসময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের রিটানিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডল, জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মো: হুমায়ুন কবির, জেলা নির্বাচন অফিসার মো: তারিকুজ্জামানসহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।