Pages

Categories

Search

আজ- বুধবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সাপাহারে ৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনিশ্চয়তার মুখে নদীতে ব্লক বসানোর কাজে বিএসএফ’র বাধা

এপ্রিল ২০, ২০১৭
অনিয়ম, জনদুর্ভোগ, নওগাঁ
No Comment


আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহারে সীমান্তবর্তী পুর্নভবা নদীর বাম তীর প্রতিরক্ষা মুলক বাঁধ নির্মানে ব্লক বসানোর কাজে বিএসএফ’র বাধায় প্রায় ৬কোটি টাকার প্রকল্প অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ভারত বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের চুক্তি মোতাবেক ব্লক নির্মান শেষে চলতি এপ্রিলের প্রথম তারিখে সীমান্তের পুর্নভবা নদীর বাম তীর সংরক্ষনে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্লক বসানোর কাজে তাদের ড্রেজার মেশিন নিয়ে গেলে ভারতের রাঙ্গামাটি বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার এসে তাতে বাধা প্রদান করেন। এসময় ঠিকাদারের লোকজন তাকে চুক্তির কাগজপত্র দেখালেও তিনি উপরের অর্ডার নেই বলে ব্লক বসানোর কাজ বন্ধ করে দেন।
জানা গেছে গত ২০১৫সালের জানুয়ারী মাসে ভারতের কলকাতায় ভারত বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের কারিগরী পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ৫কোটি ৮৩লক্ষ ৮০হাজার টাকা ব্যায়ে ১৫ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে নওগাঁ ১- আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বাংলাদেশ পানিউন্নয়ন বোর্ড এর অধীনে দুই বছর মেয়াদে জেলার সাপাহার উপজেলাধীন সীমান্ত নদী পুর্নভবার বাম তীর ৭২০মিঃ এলাকা প্রতিরক্ষা মুলক কাজের উদ্বোধন করেন। সে থেকে দিনাজপুরের এম,পি,টি-এম,ই,এইচ(জেভী) ঠিাকাদারী প্রতিষ্ঠান নদীর তীর এলাকায় বøক তৈরীর কাজ আরাম্ভ করেন। বর্তমানে ব্লক তৈরীর কাজ প্রায় শেষ করে ১এপ্রিল তারা নদীর তীর সংরক্ষনে বল্ক বসানোর জন্য ড্রেজার মেশিন নিয়ে নদী এলাকায় গেলে বিএসএফ সদস্যরা এসে তাতে বাধা দেয় ফলে নদীর তীর সংরক্ষন কাজ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। ঠিকাদারী সংস্থার পক্ষে মিঃ কনক বলেন যে, ড্রেজার মেশিন ও তার লোকজনদের বসে রাখায় তাদের এখন প্রতিদিন প্রায় ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে। এছাড়া আর কয়েক মাস পরেই শুরু হবে বর্ষাকাল, বর্ষা এলে কোন মতেই আর ব্লক বসানো যাবেনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হয়তো নদীর জলেই ব্লক ভাসিয়ে কাজের সমাপ্তি করবেন এতে যেমন উন্নয়নের কোন কাজই হবেনা ঠিক তেমন সরকারের কোটি কোটি টাকা ভেসে যাবে নদীর জলে বলে এলাকার অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা মনে করছেন। এ বিষয়ে সীমান্তের দায়িত্বে নিয়োজিত ১৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ান কোম্পানীর অধিনায়ক লেঃকঃ আলী রেজার সাথে মোবাইলে ফোনে কথা হলে এই প্রতিবেদককে তিনি জানান যে, বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করার কিছুই নেই। সীমান্ত এলাকায় কাজ করতে গেলে অনেক ধরা বাধা নিয়ম নিতী থাকে তারই সুত্র ধরে বিএসএফ সদস্যরা হয়ত নিষেধ করেছে এ বিষয়ে দু, দেশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে তবে যেহেতু দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ে এ বিষয়ে স্বাক্ষরতি চুক্তিপত্র রয়েছে সে হেতু অচিরেই ব্লক বসানো কাজের শুরু হবে বলেও তিনি জোর দিয়ে বলেছেন।