Pages

Categories

Search

আজ- বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সরকারী বিধিনিষেধ অমান্য করে গাজীপুরে বিরোধপুর্ণ জমি রক্ষায় আনসার নিযোগ

অক্টোবর ১৩, ২০১৩
এক্সক্লুসিভ
No Comment

গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট ঃ  বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে  আনসার মোতায়নে শ্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নির্দেষণা মানছে না গাজীপুর জেলা কমাড্যান্ট । গাজীপুরের কাশিমপুরে আনসার নিয়োগ দিয়ে জালিয়াতি ও প্রতারণার দায়ে অভিযোক্ত  ভ’মি দস্যু নজরুলের দখলকৃত অবৈধ সম্পত্তি রক্ষার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গজিীপুরে  শ্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিষেধাঞ্জা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমি রক্ষায় আনসার মোতায়েন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জালিয়াতি ও প্রতারণার করে একই জমি একাধিক ব্যাংকে বন্ধক দিয়ে কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে  চক্রটি।

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর  সারাব এলাকায়  সরকারি খাস সম্পত্তির জালদলিল সৃষ্টিকারী এক প্রতারকের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর  দপÍরের প্রভাবশালী ব্যাক্তি নাম মাত্র মূল্যে  বায়না করে জমি  রক্ষায়  ২৫ জন আনসারের  ক্যাম্প স্থাপন করে পাহাড়া দিচেছ। একই এলাকায় ইসলাম অটো ব্রি´্্র নামের একটি প্রতিষ্ঠাানের বিতর্কীত সম্পত্তিতে আনসারের   ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

প্রফিউশন  নামের একটি পোষাক কারখানায় আনসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নিয়ম ভেঙ্গে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্ণধার  নজরুল ইসলাম প্রতারনা, জালিয়াতি ও অর্থ কেলেন্কারীর অভিযোগে ফেরারী হয়ে পলাতক । এই প্রতারক নামে বেনামে  অস্তিত্বহীন  প্রকল্পের বিপরীতে বিভিন্ন ব্যাংকের ১৭ টি শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ৮০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তার বিরোদ্ধে  বিভিন্ন থানা, দুদক  ও অর্থ  আদালতে ১৪ টি মামলা হয়েছে।
প্রফিউশন ফ্যাক্টরীর  নামে সাইন বোর্ড দেয়া জমি থেকে  তিন  মাস আগে আনসার প্রত্যাহারের জন্য জেলা কমাড্যান্টকে পত্র দিয়ে জানালেও তা করা হয়নি। ১৬ জন আনসার সদস্য নিয়ে স্থাপিত ক্যাম্পের ইনচার্জ মনির জানান, কতৃপক্ষ আমাদের প্রত্যাহার করেনি। আনসারের জেলা অফিসের স্টাফ অফিসার রফিকুল ইসলাম গাজীপুর দর্পণকে জানান, ফ্যাক্টরী কতৃপক্ষ পাওনা পরিশোধ করেনি বলে,এখনো বহাল রাখা হয়েছে। এদিকে গাজীপুর সদর  উপজেলা  আনসারের কর্মকর্তা নুর মোহান্মদ জানান, প্রতিষ্ঠানটি আবার চিঠি দিয়ে আনসার বহালের অনুরোধ করেছে। তবে নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না তৎকালীন কর্মকর্তারা বলতে পারবে।
যে জমিতে প্রফিউশন ফ্যাক্টরী স্থাপিত তার প্রকৃত মালিক  আফতাব আহমেদ খান জানান, জাল দলিল করে জোড় করে
জমি দখলে নিয়েছে। আদালতে মামলা চলমান, আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য আনসার নিয়োগ দেওয়ায় আমি জমিতে যেতে পারছিনা।একই এলাকায় কয়েক বিঘা জায়গার ওপর রোজ ভ্যালী লিঃ নামক কয়েকটি সাইন বোর্ড লাগানো। এই জমি প্রভাবশালী ব্যাক্তি বায়না করেছে। শুধু জমি পাহারা দেওয়ার জন্য ২৫ জন আনসার নিয়োগ দেওয়া হযেছে।
আনসারের গাজীপুর জেলা কমাড্যান্ট  মীর আলমঙ্গীর হোসেনের অফিসে গিয়েও  তাঁর ব্যাস্ততার কারনে বক্তব্য নেয়া যায়নি।