Pages

Categories

Search

আজ- বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ষড়যন্ত্র করে নির্বাচন বেশিদিন স্থগিত রাখা যাবে না —মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল


গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট : গাজীপুর সিটি নির্বাচন স্থগিতের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত আমরা প্রত্যাখ্যান করি। আমরা আইনী লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে এই নির্বাচন যাতে আবার অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য সর্বান্তকরণে আদালতে লড়াই করব। আমাদের যে প্রস্তুতি রয়েছে, আমাদের আবেগটাকে বে্েগ পরিণত করে আমদের প্রার্থীকে নিয়ে কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছব। ষড়যন্ত্র করে এই নির্বাচন বেশিদিন স্থগিত রাখা যাবে না। আইনী লড়াইয়ে আমরা বিজয়ী হব। জনগণের সমর্থনেও বিজয়ী হব। আপনাদের সমর্থন ধরে রাখুন।
বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের নির্বাচনী প্রচারণায় এসে নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণার পর রোববার দুপুরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন,
তিনি বলেন, ‘ধান কেটে আমরা গোলায় তুলব ভেবে ছিলাম। সে ধানের গোলাকে আপাতত আমাদের দখল থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে কিছু সময়ের জন্য।’
আলাল আরো বলেন,‘ এটর্নি জেনারেলের চক্রান্ত এটা এবং এটার পেছনে আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের ষড়যন্ত্র রয়েছে। তারা নির্বাচনটাকে আপাতত স্থগিত করেছে। আমরা মনেকরি- বিজয়ের পতাকা আমাদের হাতেই রয়েছে। এই পতাকাকে নতুন করে উড্ডীন করা হবে। আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে, জনগণের ধিক্কারের মাধ্যমে। এটা সরকারের ষড়যন্ত্র। মানুষের রায় ছিনিয়ে নিতে পারবে না, এ কারণে মানুষকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। সর্বশেষ তারা জাতির সামনে একটা নোংরা দৃষ্টান্ত আজকে স্থাপন করেছেন। আমরা নিন্দা-ধিক্কার ঘৃণা জানাই।’
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, জেলা বিএনপির সহসভাপতি মীর হালিমুজ্জামান ননী, বিএনপি নেতা এস কে জবি উল্যাহ, জয়নাল আবেদীন তালুকদার প্রমুখ।
এদিকে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিএনপি প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী ডা.মাজহারুল আলম প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, ‘বিএনপি তথা বিশ দলীয় জোটের প্রধান ইস্যু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নিরপেক্ষ সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা সাড়ে এগারো লক্ষ সচেতন ভোটারের নিকট গিয়ে ভোট চেয়েছি। জনগণ নজিরবিহীন সমর্থন দিয়েছেন। যার বহিঃপ্রকাশ হতো ১৫ মে। প্রমান হলো গাজীপুরবাসী অবিলম্বে- দেশনেত্রীর মুক্তি চায়।
তিনি আরো বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনের স্থগিতাদেশে এটাই প্রমান হলো যে, জনগণের রায় পেয়েও যেমন বিএনপির মেয়র জনসেবা করার সুযোগ পায় নি, ঠিক তেমনই এবার বিএনপির মেয়র প্রার্থীকে নির্বাচনের পূর্বেই জনসেবা থেকে বঞ্চিত করা হলো।’
টঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আটক নেতাদের বিরুদ্ধে গাড়ী ভাংচুর ও নাশকতার অভিযোগ রয়েছে।