Pages

Categories

Search

আজ- শুক্রবার ১৬ নভেম্বর ২০১৮

শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে ইএমও নেই মেডিক্যাল এ্যাসিস্টেন্ট দিচ্ছেন ব্যবস্থাপত্র

ফয়সাল আহমেদ, শ্রীপুর : শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে মেডিক্যাল এ্যাসিস্টেন্টকে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার দুপুরে ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ও জরুরী বিভাগে কোন চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। চিকৎসক না থাকায় উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা তথা ব্যবস্থাপত্র দিতে দেখা গেছে।

ওই দিন দুপুরের পর থেকে ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসক শ্রীপুরের মাওনায় স্ত্রীর মালিকানাধীণ একটি ক্লিনিকে রোগী দেখার দেখার খবর পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসক হোজ্জাতুল ইসলাম পলাশ জানান, হাসপাতালটি ৫০শয্যায় উন্নীত হলেও হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। হাসপাতালটি চলছে ৩০শয্যারও কম জনবলে। এ হাসপাতালে তিনিসহ পাঁচজন মেডিক্যাল অফিসার রয়েছেন। এখানে ইমারজেন্সি মেডিক্যাল অফিসারের পদ নেই। ওই পাঁচজন চিকিৎসক পালাক্রমে জরুরী বিভাগ এবং বহির্বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন। যার কারণে চিকিৎসকরা ঠিকমত ডিউটি করতে পারছেন না। আর তিনি একজন চিকিৎসক হিসেবে মেডিক্যাল সময়ের বাইরে অন্যত্র প্র্যাকটিস করা নিষেধ নেই। তবে তিনি জানতে পেরেছেন একজন উপসহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ৩২টি নির্ধারিত ড্রাগ প্রিসক্রাইব করতে পারেবেন।

স্থানীয় টেপিরবাড়ি এলাকায় মারামারিতে জখম প্রাপ্ত স্থানীয় কামরুজ্জামান রোববার দুপুরে ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। তিনি জানান, এসময় হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসক কিংবা জরুরী বিভাগের কোন চিকিৎসককে পাননি তিনি। এসময় হাসপাতালের জরুরী বিভাগে উপসহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার মো. নজরুল ইসলাম তাকে ব্যবস্থাপত্র দেন।
উপসহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার মো. নজরুল ইসলাম জানান, বিধান আছে বলেই তিনি রোগী দেখছেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডাইরেক্টর কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, উপসহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারদের চিকিৎসকদের সহায়তায় হাসপাতালের টিকিটে রোগীদের ঔষধ লেখার বিধান থাকলেও হাসপাতালের বাইরে তারা কোন ক্লিনিকের প্যাডে তারা ব্যবস্থাপত্র দিতে পারেন না।