Pages

Categories

Search

আজ- বৃহস্পতিবার ১৫ নভেম্বর ২০১৮

শ্রীপুর থানায় মামলার পর হুমকিতে ধর্ষিতা কলেজছাত্রীর পরিবার

শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ RAPPIST  SHIHAB KNAIA copy

গাজীপুরের শ্রীপুর থানায় মামলা দায়েরের পর ধর্ষিতার পরিবারকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে ধর্ষক শিহাবের পরিবার। মামলা তুলে নিতে এবং আপস করার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

ধর্ষিতাকে কলেজে পাঠাতে নিরাপত্তাহীনতার শিকার হচ্ছেন বলেও ধর্ষিতার মা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রীর নামে এলাকায় অপ প্রচার ছড়ানোর পাঁয়তারা করছে অভিযুক্তরা।

মামলায় অভিযুক্ত ধর্ষক শিহাব (২০) গাজীপুর সদর উপজেলার শিরিরচালা গ্রামের ইসমাইল হোসেন কাঁইয়ার ছেলে। তার অপর দুই সহযোগী পার্শ্ববর্তী মেম্বারবাড়ী গ্রামের ওয়াহিদের ছেলে আল আমীন (১৯) ও আমীরের ছেলে আশিক (২১)।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রী কলেজের ছাত্রী (১৭)র বাড়িতে অভিযুক্ত শিহাব বিভিন্ন সময় যাতায়াত করত। এ সুযোগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই ছাত্রীকে বেড়ানোর কথা বলে মেম্বারবাড়ী থেকে নিয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর থানার ইজ্জতপুর গ্রামের মমতাজ পিকনিক স্পটে নিয়ে অন্য অভিযুক্তদের সহায়তায় ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। সেখান থেকে ধর্ষক শিহাব ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরে। একদিন পর ওই ঘটনায় নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় একটি নারী নির্যাতন মামলা (নং ০১, তারিখ-০১.১০.২০১৫ইং) দায়ের করেন।

ছাত্রীর মা জানান, মামলা করে কী করতে পারি তা শিহাবের পরিবার দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। ইচ্ছাকৃত আপস করতে না গেলে তাদের ছেলেকে তারা দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। অথচ, এখন তারা আমার মেয়ের ব্যাপারে আপত্তিকর কথা প্রচারের চেষ্টা করছে।

নির্যাতিতা ছাত্রী জানায়, আমি উপযুক্ত বিচারের আশায় আছি। কলেজে যাই, শঙ্কিত থাকি তাদের ভয়ে। উপযুক্ত বিচার না পেলে সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে নেব।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিহাবের ভাই মো: শরীফ কাঁইয়া বলেন, ওই ছাত্রী ওইরকম স্বভাবের। আমরা কাউকে হুমকি দিইনি। ছেলে মেয়ে জেনে শুনেই পিকনিক স্পটে গিয়েছিল।

শ্রীপুর থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) মুজিবুর রহমান জানান, থানায় মামলা দায়েরের পরই গ্রেপ্তারের অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযুক্তরা অন্য থানা এলাকার হওয়ায় হুট করে গ্রেপ্তারের অভিযান চালানো যায়না। তবে এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করা হবে। ছাত্রীর মেডিকেল রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।