Pages

Categories

Search

আজ- বুধবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

শ্রীপুরে ধ্বংসের মুখে সরকারী মৎস্য হ্যাচারী

জুলাই ৩০, ২০১৫
কৃষি, শ্রীপুর
No Comment

madso_1

শ্রীপুর প্রতিনিধি:
শ্রীপুরে একমাত্র সরকারী মৎস্য পোনা উৎপাদনকারী হ্যাচারীটি ধ্বংসের মুখে পড়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ, লোকবল রক্ষা-বেক্ষনের অভাবে হ্যাচারীটির মুখ থুবরে পড়েছে। জঙ্গলে পরিনত হয়েছে পুরো হ্যাচারী এলাকা। ফলে উপজেলার মাছ চাষীরা বঞ্চিত হচ্ছে ¯^ল্প মূল্যে উন্নত পোনা থেকে।
উপজেলা মৎস্য ও কৃষি সূত্রে জানা যায়, জেলা মৎস্য অফিসের উদ্দোগে স্মমন্নিত মৎস্য উন্নয় প্রকল্পের আওতায় সম্পূর্ন সরকারী অর্থায়নে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে গড়ে তুলা হয় মৎস্য হ্যাচারীটি। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হ্যাচারীর আওতায় রয়েছে দু’টি নার্সারী পুকুর। হ্যাচারী থেকে বছরে ৪০/৫০ কেজি রেনু উৎপদন করা হত। যা থেকে প্রায় ১ কোটি উন্নত জাতের পোনা উৎপাদন করে স্থানীয় মাছ চাষীদের মধ্যে ¯^ল্প মূল্যে বিতরন করা যেত। ১৯৯৬ সালে প্রকল্প মেয়াদ শেষ হয়। বন্ধ হয়ে যায় হ্যাচারীর কার্যক্রম। হ্যাচারীর গভীর নলকুপটি শ্বচল থাকলেও একে একে বিকল হয়ে গেছে পাম্প হাউজ, গাডার সেট, সার্কুলার ট্রেংক, ৪টি বোতল, ওভার হেড ট্রেংকসহ অন্যান্য সরঞ্জাম। চুরি হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই অনেক মূল্যবান যন্ত্রাংশ। হ্যাচারী সেডের দরজা জানালা, গ্রীল, টিনের চাল সবই খসে পড়তে শুারু করেছে।
অযতœ অবহেলায় চোখের সামনেই ধ্বংস হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পদ। বেহাত হওয়ার পথে রয়েছে প্রকল্প ভূক্ত নার্সারীর পুকুর দু’টি। স্থানীয় মাছ চাষীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, এক সময় তারা এ হ্যাচারী থেকে উন্নত জাতের পোনা সংগ্রহ করত। এখন হ্যাচারীটি ধ্বংসের মুখে। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে হ্যাচারীটি এখন জঙ্গলে পরিনত হওয়ার পথে।
উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা বদিউজ্জামান জানান প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু পূর্ব থেকেই হ্যাচারীটি বন্ধ হয়ে গেছে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, তিনি আসার বহু পূর্ব থেকেই হ্যাচারীটি বন্ধ রয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ লোকবল দিয়ে সংস্কার করে মাছের পোন উৎপাদন করা সম্ভব।