Pages

Categories

Search

আজ- বৃহস্পতিবার ১৫ নভেম্বর ২০১৮

রাণীনগরে প্রতিপক্ষের মারপিটে যুবলীগ নেতা গুলরাজ গুরত্বর আহত

জুলাই ১৪, ২০১৭
অপরাধ, আইন- আদালত, নওগাঁ, রাজনীতি
No Comment


আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বৃহত্তম হাট আবাদপুকুর হাটকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের এলোপাতারী মারপিটে উপজেলার যুবলীগের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক মো: গুলরাজ সরদার গুরুত্বর আহত হয়েছেন। তিনি আবাদপুকুর বাজারের মো: সায়েদ আলী সরদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা, উপজেলার বৃহত্তম হাট আবাদপুকুর হাট। এই হাটের ইজারা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত দুই ইজাদারের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এক পক্ষ হাটের অবৈধ ইজারার উপড় হাইকোর্টে রিট করলে মাহামান্য হাই কোর্ট এই হাটের ইজারার উপড় ৬মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এমতাবস্থায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে ৬সদস্যের একটি হাট পরিচালানাকারী কমিটি গঠন করে হাট পরিচালনা করে আসছেন। এই পরিচালনা কমিটি বিভিন্ন পণ্যের উপড় সরকারের বেধে দেওয়া খাজনা না তুলে নিজেদের ইচ্ছে মতো খাজনা আদায় করে আসছে। তাই এই হাট নিয়ে আবাদপুকুরে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার রাত অনুমান ৮টার সময় আবাদপুকুর হাটের চারমাথায় হাট পরিচালনা কমিটির সদস্যরা কোন কথা ছাড়াই যুবলীগ নেতা গুলরাজকে এলোপাতারী ভাবে মারপিট শুরু করে। স্থানীয়রা গুলরাজকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে। এতে করে আবাদপুকুর হাটে এক থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবাদপুকুর বাজারে যে কোন সময় এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

প্রত্যক্ষদর্শী যুবলীগ নেতা মো: রুহুল আমীন জানান, আবাদপুকুর হাটকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মাঝে দীর্ঘদিন যাবত এক দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এদিন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে হাট কমিটির সদস্যরা কোন কারণ ছাড়াই গুলরাজকে অন্যায় ভাবে এলোপাতারী ভাবে মারপিট করে। এই ঘটনায় আমরা উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দকে এই বিষয়টি মৌখিক ভাবে জানিয়েছি। এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। আমি উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। এই বিষয়ে জোরালো প্রদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সরকার দলীয় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: সিরাজুল ইসলাম খাঁন বাবলু মারপিটের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন গুলজার কে মারপিট করা হয়েছে অন্য কারনে। এই কারণ বলা যাবে না।

উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: মফিজ উদ্দিন জানান, এই মারপিটের ঘটনা আমি জেনেছি। স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকায় এলে এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।