Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রংপুর ও লালমনিরহাটের ১৫ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাকো

rangpur-photo-shohel-9
হারুন উর রশিদ সোহেল, রংপুর : রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রভাহিত তিস্তার মরা সতি নদীর উপর একটি পাকা সেতুর অভাবে দুই উপজেলার ১৫ গ্রামের দেড় লক্ষাধিক মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। একটি বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় কবলে পড়ছে সাধারণ মানুষদের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, উপজেলার হারাগাছ ইউনিয়নের ও পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ও রাজপুর ইউনিয়নের দেড় লক্ষাধিক মানুষ অস্থায়ী বাশেঁর সাঁকো দিয়ে উপজেলার সদর সহ বিভিন্ন স্থানে যাতাযত করে থাকে। হারাগাছ ইউনিয়নের চর পল­ীমারী,চর চতুরা এবং রাজপুর ,খলাইঘাট, চাংড়া চিনাতুলি,পাগলার হাট, খুনিয়াগাছ, মিলন বাজার, তাজপুর গ্রাম সহ ১২টি স্কুল ও মাদ্রাসা এবং একতা বাজার, ঠিকানার হাট,পাগলার হাট সহ ৬টি হাট বাজার সরাসরি তিস্তার উত্তর প্রান্তের চরে অবস্থিত। এ এলাকা গুলি কৃষি নির্ভর এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে মরিচ, পিয়াজ, আলু, বাদাম, ধান,পাট,শাক সবজি সহ নানা ধরনের ফসল উৎপাদন হয়। এ এলাকা উপজেলার শষ্য ভান্ডার নামে খ্যাত। পাকা ব্রীজ না থাকায় এ এলাকার স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থী,কৃষক সহ সাধারন মানুষ কে অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সর্বদা। বাঁশের সাঁকোটি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে নড়বড়ে সাকো দিয়ে পারাপারে দূর্ভোগ বেড়েছে মানুষের। পল­ীমারী গ্রামের বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম জানান,তিস্তার মরাসতী নদীতে পাকা ব্রীজ না থাকায় দিন নানা অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানে যথাসময়ে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা পৌছাতে না পাড়ায় অপরাধীদের অবয়াশ্রামে পরিনত হচ্ছে এবং অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছ্।ে এলাকাবাসী জানায়, টাংরীর বাজার, চড় চতুরা,সহ চরাঞ্চালের বিভিন্ন এলাকায় চুরি ,ছিনতাই,মাদকের ব্যবসা রমরমা ভাবে চলছে। এসব কারণে সন্ধ্যার পর সাধারন মানুষ চলাাচল করতে ভয় পাচ্ছে। চর নাজির দহ গ্রামের হায়দার আলী, মুমিন জিহাদী ও সাত্তার মিয়া জানান, হারাগাছ ইউপি চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান পলাশ,উপজেলা চেয়ারম্যান মাহাফুজার রহমান মিঠু ,সংসদ সদস্য টিপু মুনশি পাকা ব্রীজ নির্মানের জন্য নির্বাচনের আগে ও পরে কথা দিয়েও আজ পর্যন্ত কথা রাখতে পারেনি। তিস্তার মরা সতি নদীতে ব্রীজ নির্মান করলে এলাকার ১৫ গ্রামের মানুষ যেমন উপকৃত হবে অন্য দিকে কৃষি অর্থনীতি নির্ভর এলাকার মানুষ তাদের উৎপাদিত পন্যের ন্যায্য মূল্য পেয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। এ ব্যাপাওে কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপঙ্কর রায় জানান, সম্প্রতি উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা পরিষদ থেকে সেতুটি নির্মান করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আবেদন জানানো হয়েছে।