Pages

Categories

Search

আজ- বুধবার ২৭ মার্চ ২০১৯

মার্চের ঘটনা প্রবাহ মুক্তিযুদ্ধে রূপ নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি করে—মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক

মঞ্জুর হোসেন মিলন : “মার্চ মাস বাঙালি জাতিসত্ত¡ার উত্থানের মাস। মার্চের ঘটনা প্রবাহ মুক্তিযুদ্ধে রূপ নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি করে। ‘৭১-এর মার্চ মাসেই স্বাধীন বাঙালি জাতির বিপ্লবী অভ্যুত্থান ঘটে’। ‘অগ্নিঝরা মার্চ ও বাঙালি জাতিসত্ত¡ার উত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
১২ই মার্চ মঙ্গলবার বিকেলে বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ‘অগ্নিঝরা মার্চ ও বাঙালি জাতিসত্ত¡ার উত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও আন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৮-এ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, “মার্চ মাস বাঙালি জাতিসত্ত¡ার উত্থানের মাস। মার্চের ঘটনা প্রবাহ মুক্তিযুদ্ধে রূপ নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি করে।” বিশেষ অতিথি প্রতিমন্ত্রী জনাব খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী এম.পি বলেন, “৭১-এর অগ্নিঝরা মার্চ ছিল স্বাধীন বাঙালি জাতির অভ্যুদয়ের মাস। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে তা চ‚ড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। এর মহানায়ক ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।” সভাপতির বক্তৃতায় উপাচার্য ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, “মার্চ মাসেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীন বাঙালি জাতির বিপ্লবী অভ্যুত্থান ঘটে। এর ভিত্তি রচিত হয় বাঙালির হাজার বছরের জাতীয় মুক্তির আকাঙ্খা, আন্দোলন, সংগ্রাম ও স্বপ্নের মধ্যে। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতার জন্মযন্ত্রণা।”
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য ড. মশিউর রহমান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। আরো বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী এবং নাট্যজন ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, ট্রেজারার প্রফেসর নোমান উর রশীদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিসহ বিপুল সংখ্যক সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি কলেজের ২৪ জন বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।