Pages

Categories

Search

আজ- শুক্রবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মান্দার প্রসাদপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার তদন্ত

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দার ৭নং প্রসাদপুর ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনিত ১৪টি ভূয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রমানিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের পক্ষে মামলাটির তদন্ত সম্পন্ন করেন দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় অফিসের সহকারী পরিচালক আমিনুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন মামলার বাদী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফয়েজ উদ্দিন সরদার, অভিযুক্ত বর্তমান চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন খান, ইউপি আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিকসহ এলাকার সর্বসাধারণ।
মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রসাদপুর ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালে (২০০৩-২০১১) বেলাল হোসেন খান এলজিএসপি প্রকল্প খাত থেকে ১৪টি ভ’য়া প্রকল্প দেখিয়ে ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা আত্মসাত করেন। দুদকের তদন্তে ১৪টি প্রকল্পই ভুয়া এবং মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়। তারপরও বিবাদী কারৈা টাকার জোরে মিথ্যাকে সত্য করার অপচেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বিবাদী বেলাল হোসেন খানের বিরুদ্ধে পরিষদের ১২সদস্যের মধ্যে ৯ জন সদস্য-সদস্যা বিভিন্ন প্রকল্প হতে ২৫ লাখ ৫০হাজার টাকা উত্তোলন পূর্বক আত্মস্যাত করেছেন বলে অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে দরখাস্ত দিয়েছেন। এর মধ্যে সদস্যদের মুখে শোনা যাচ্ছিল ৯জন সদস্য-সদস্যার প্রত্যাককে এক লক্ষ টাকা দিয়ে থামিয়ে দিবেন। বর্তমানে মাত্র ৩জন সদস্য নিয়ে সকল সভার কার্য বিবরণীতে সবার স্বাক্ষর জাল করে দীর্ঘ দেড় মাস অবৈধভাবে পরিষদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে দুংখজনক হলেও সত্য অভিযোগ দেয়ার প্রায় দেড় মাস পার হতে চললেও এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা না হওয়ায় বাদী ৯ জন সদস্য-সদস্যা হতাশ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাছাড়া ইউপি সচিব ইনতাজুর রহমান ৫ দিন অফিস কর্ম দিবসের ২/১ দিন বাদে বেশিরভাগ সময় বাড়িতে বসে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাকে ইউপি’র বিভিন্ন কাজে গিয়ে না পাওয়ায় অনেকেই হয়রানীর শিকার হন।
এমতাবস্থায় সঠিক বিচারের আশায় ইউপি সদস্য-সদস্যাগণ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান বিবাদী বেলাল হোসেন খান দুদকের তদন্তের কথা স্বীকার করে বলেন, মামলা তো আর গোপন কোন বিষয় না।
দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় অফিসের সহকারী পরিচালক আমিনুর রহমান জানান, চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন খানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনিত ১৪টি ভূয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রমানিত হয়েছে বলেও তিনি জানান। যথা সময়ে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা হবে।