Pages

Categories

Search

আজ- শনিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৮

মান্দার উত্তরা কলেজে এইচ এসসি পরীক্ষার ফলাফল জানাতে পারেনি অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ


আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দার উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা, গাফলতি ও খামখেয়ালিপনার কারণে
রোববার চলতি এইচ এসসি পরীক্ষার কোন ফলাফল রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এ খবর লেখা পর্যন্ত জানতে পারেননি। অভিযোগ ঠিকমতো কলেজে না আসায় ও বাইরেরর ব্যক্তিগত কাজে সময় বেশি দেয়ায় এ কলেজের কোন কাজ ঠিকমতো চলে না।

সেই একই ঘটনার প্রেক্ষাপটে চলতি এইচ এসসি পরীক্ষার ফলাফল জানাতে পারেননি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান। এতে প্রচন্ড হতাশা ও ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসি, অভিভাবকবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রীরা। ক্ষুদ্ধ কয়েক অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা জানান, সারা দেশে এক যোগে চলতি এইচ এসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হলেও অধ্যক্ষ স্যারের অবহেলায় ও কান্ডজ্ঞানহীনভাবে দায়িত্ব পালনে তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা ব্যর্থ হয়ে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে ৩০-৫০ টাকাসহ যাতায়াত বাবদ প্রায় শতাধিক টাকা খরচ করে ফলাফল হাতে পেয়েছেন। এতে তারা অনেক হয়রানির শিকার হন। দোকানে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেকে প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষোভ জানাতে গিয়ে হতাশায় ভেঙ্গে পড়েন।
দায়িত্ব প্রাপ্ত কলেজের মনোবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক সেলিম আহমেদ জানান, তিনি কোন দায়িত্বে নেই। আলমগীর হোসেন রুবেল কাজ করছেন। তবে রুবেল বর্তমানে কলেজে নেই, বাড়িতে বসে সার্ভারে ঢোকার চেষ্ঠা করছেন।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ ফজলুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, তিনি বাইরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তাছাড়া এখন তো কেউ প্রতিষ্ঠানে ফলাফল নিতে আসে না। বাইরে থেকেই ফলাফল জেনে নেন। সার্ভারে সমস্যার কারণে তিনি ফলাফল দিতে পারেননি। তবে এখন ফলাফল দেয়ার চেষ্ঠা করা হচ্ছে। আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক আলমগীর হোসেন রুবেল কাজ করছেন। তবে তিনি জানান, ২০৮জন পরীক্ষার্থী এবারে পরীক্ষা দিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান জানান, সারা মান্দা উপজেলার সব প্রতিষ্ঠান ফলাফল দিতে পারলেও উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের কর্তৃপক্ষ কেন দিতে পারেননি তা তার বোধগম্য হচ্ছে না। এ কারণে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুর রশিদ জানান, হয়ত অধ্যক্ষের অবহেলা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।