Pages

Categories

Search

আজ- শুক্রবার ১৬ নভেম্বর ২০১৮

ভালুকায় মেদিলা স্কুলের ক্লাশ চলে খোলা আকাশের নীচে

madila[1]

মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, ময়মনসিংহ থেকে: ঘুর্নিঝড়ে স্কুল ভবনের চালা বিধ্বস্ত হওয়ায় খোলা আকাশের নীচে ক্লাশ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ঘটনাটি ভালুকার মেদিলা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের। জরুরী ভিত্তিতে ভবন সংস্কার করা না হলে প্রায় সাড়ে তিনশত শিক্ষার্থীকে এ ভোগান্তির মধ্যেই তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে হবে।
সংশ্লিষ্ঠ সুত্রমতে, সম্প্রতি বয়ে যাওয়া কালবোশেখী ঝড়ে মেদিলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের টিনের চাল বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের শ্রেনী কক্ষ হিসেবে বিকল্প কোন ভবন না থাকায় একাডেমিক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে খোলা আকাশের নীচে গাছের ছায়ায় ক্লাশ নিতে হচ্ছে শিক্ষকদের। সহসাই কোন আর্থিক অনুদান না পেলে মারা্ত্মক ভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে প্রায় সাড়ে তিন শত শিক্ষার্থী পাঠদানের জন্য বিকল্প কোন শ্রেনী না থাকায় আসন্ন বৃষ্টির আশংকা দেখলেই ক্লাশ ছেড়ে দিতে হয়। তাই বর্ষা মৌসুমে চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল বাশার জানান, শিক্ষক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিবর্গের সহায়তায় ৭৫ ফুট ল¤^া হাফবিল্ডিংটি নির্মান করেন। এর মধ্যেই একাডেমিক কার্যক্রম চালানো হয়। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ও ১৯৯৪ সালে এমপিওভুক্ত এ প্রতিষ্ঠানটি অদ্যবদি পর্যন্ত কোন একাডেমিক ভবনের জন্য সরকারী কোন অনুদান পায়নি। বিদ্যালয়টি ফলাফলের মান প্রতি বছরই ভাল। কেন সরকারী বিল্ডিংয়ের মুখ দেখছেনা বিদ্যালয়টি সে রহস্যের উত্তর দিতে পারছেনা এলাকার সচেতন ব্যাক্তিরাও। মেদিলা গ্রাম ছাড়াও চারপাশের বৃহৎ এলাকার একমাত্র মাধ্যমিক স্কুল হওয়ায় বিদ্যালয়টি গুরুত্ব অপরিসীম। ঝড়ে ভবন বিধ্বস্ত হওয়ায় বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনী ও দশম শ্রেনীর ক্লাশ চালাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নীচে। ফলে তাপদাহ থাকলেও যেমন গরমে মধ্যে ক্লাশ করা যায়না অপর দিকে বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। শিক্ষার্থীরা জানায়, ক্লাশ ভবন সংকটে পড়া লেখা দারুনভাবে বিঘ্নসৃষ্টি হচ্ছে। শিক্ষকদের দাবী জরুরী ভিত্তিতে ভবন সংস্কার করা না গেলে চলতি বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয় চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। প্রধান শিক্ষক মোঃ খাইরুল বাশার জানান, ভবন সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়াও ঝড়ে বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ভবন সংস্কারের বিষয়ে দ্রুত ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ঠদের আশু সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।