Pages

Categories

Search

আজ- মঙ্গলবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ভালুকায় দিনদুপুরে বিএনপি নেতার ফ্লাটে দুঃসাহসিক চুরি

WWW[1]
মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, বিশেষ প্রতিনিধি: ভালুকায় প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি নেতার ভাড়া বাসার ফ্লাটে দুঃসাহসী চুরি হয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্নালংকারসহ প্রায় ১৮/২০লাখ টাকার মালামাল খোয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার বেলা আনুমানিক ১০টার দিকে ভালুকা পৌর সদরের শাপলা সিনেমা হল সড়কে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সুত্র জানায়, ভালুকা পৌর সদরের ২নং ওয়ার্ডের জনৈক শরাফ উদ্দিনের বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্লাটটি ভাড়ায় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহসভাপতি ও রাজৈ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার উদ্দিন আহম্মেদ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য পরিবারের সবাইকে নিয়ে তিনি রাজৈ ইউনিয়নের গ্রামের বাড়ীতে বসবাস করছেন। নির্বাচন শেষ হলেও পরিবারের সদস্যরা এখনো বাড়ীতেই বসবাস করায় উপজেলা সদরের বাসাটি তালাবদ্ব অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে বিএনপি নেতার স্ত্রী আঞ্জুমান আরা জেসমিন জানান, নীচের ফ্লাটে কাজ করতে আসা মহিলা রোববার সকাল ৯টার দিকে কক্ষটি তালাবদ্ব অবস্থায় দেখে। বেলা ১১টার পর কক্ষের দরজার ডালা গুলো খোলা অবস্থায় দেখে আমাদেরকে ফোনে জানায়। ধারনা করা হচ্ছে রোববার সকাল ১১টার আগে কোন এক সময় চোর ওই ফ্লাটে ঢুকেছে। দরজার তালা ভেঙ্গে ফ্লাটে প্রবেশ করে ঘরের তিনটি কক্ষ থেকে আলমারী শো-কেস খোলে নগদ সাড়ে ৯লাখ টাকা, ১৫ ভরি স্বর্নালংকার, ৩০পিস দামি শাড়ি,অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ আনুমানিক প্রায় ১৮ থেকে ২০লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। বিএনপি নেতার স্ত্রী আঞ্জুমান আরা জেসমিন আরো জানান,একাধিক লোকজন ছাড়া এ চুরি সম্ভব হয়নি কারন নগদ অর্থ,স্বর্নালংকার ও কাপড় চোপরের সাথে থালা বাসনও চুরি করে নিয়ে গেছে। তিনি জানান তার নিজের ও তার মেয়ের সমস্ত স্বর্নালংকার ঘরে রাখা ছিল। বিএনপি নেতা আনোয়ার উদ্দিন আহম্মেদ জানান, এটি নিছক কোন চুরি হতে পারেনা। জনবহুল এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে দুঃসাহসিক এ ঘটনাটি অবশ্যই রহস্যজনক। বিএনপি নেতা বলেন চুরির সময় মালামালের সাথে তার ব্যাংকের চেক বই,ইন্সুরেন্সের কাগজ ও বিভিন্ন দলিল পত্রাদিও নিয়ে গেছে যা স্বাভাবিক ভাবে চোরেরা স্পর্শ করেনা। তাই ঘটনার আলামতে এটিকে পরিকল্পিত কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ঠদের অনুরোধ করেছেন।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমান নিরুপন করা হয়নি। তাদের ধারনা প্রায় ১৮ থেকে ২০লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি উপজেলা সদরের চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।