Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ব্রির সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে চান ভূটানের কৃষিমন্ত্রী

ভূটানের কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইয়েশী দর্জি বুধবার গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) পরিদর্শনকালে ব্রির বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ভূটানের কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইয়েশী দর্জি বুধবার গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) পরিদর্শনকালে ব্রির বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ভূটানের কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইয়েশী দর্জি তার দেশকে উদ্বৃত্ত চাল উৎপাদনের দেশে পরিণত করতে ব্রির সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে চান। তিনি বুধবার গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) পরিদর্শন করতে এসে এক মত বিনিময় সভায় তার এ আগ্রহের কথা জানান।

ব্রির মহাপরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস প্রতিষ্ঠানে মন্ত্রী লিয়েনপো ইয়েশী দর্জি ও তার সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানান এবং ইনস্টিটিউটের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বিগত বছরগুলোতে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশকে উদ্বৃত্ব অবস্থানে নিয়ে যাওয়াসহ প্রতিষ্ঠানের অর্জন ও অগ্রগতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন এবং ভূটানের সঙ্গে ব্রির সহযোগিতা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রসমূহ সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফজলে ওয়াহেদ খোন্দকার, ব্রির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. শাহজাহান কবীর, ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. আনছার আলী, প্রতিষ্ঠানটির উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা সমন্বয়কারী ড. মো. আবু ছালেক, গবেষণা বিভাগ সমূহের প্রধানগণ, উর্ধ্বতন বিজ্ঞ্নাী ও কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরি প্রতিনিধি ড. পল ফক্স অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিজ্ঞানী ও নীতি নির্ধারক পর্যায়ে বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মত বিনিময়ের পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এক সঙ্গে কাজ করে কিভাবে আরো ফলপ্রসূ অবদান রাখা যায় সে নিয়ে তারা কথা বলেন।

ভূটানের মন্ত্রী ইয়েশী দর্জি ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে এ দেশের অসাধারণ সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন এবং তার দেশে অনুরূপ সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে ব্রির সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি বলেন, ব্রির উচ্চ ফলনশীল ধানের জাতসহ বিভিন্ন উৎপাদন প্রযুক্তি ভূটানকে ধান উৎপাদনে উদ্বৃত্ব দেশে পরিণত করতে সহায়ক হতে পারে।

তিনি ব্রির জৈব প্রযুক্তি, উদ্ভিদ প্রজনন ও কৃষি যান্ত্রিকায়ন কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিভাগ, জিন ব্যাংক এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ইনস্টিটিউটের প্রস্তুতি সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন।