Pages

Categories

Search

আজ- বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বেসরকারী খাতই দেশের উন্নয়নের চালিকা শক্তি,ভালুকায় বানিজ্যমন্ত্রী

valuka
মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক,বিমেষ প্রতিনিধি : বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ কলেছেন,বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। বেসরকারী খাতই হচ্ছে বাংলাদেশের উন্নয়নের মুল চালিকা শক্তি। বেসরকারী খাতের বিকাশে সহায়তার মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে আমাদের মোট রপ্তানী ৬০মিলিয়ন(৬শত কোটি)ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

রানার প্রথম বারের মতো মোটর সাইকেল রপ্তানি করছে যা অত্যন্ত গর্বের। এটি দেশের রপ্তানি ইতিহাসে এক নতুন মাইল ফলক। মন্ত্রী বলেন,এমন দিন আসবে যখন নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে পন্য বিদেশে রপ্তানী করা হবে। বানিজ্যমন্ত্রী শনিবার সকালে ভালুকার পাড়াগাঁও নামক স্থানে রানার অটোমোবাইলস্ লিমিটেড’র উৎপাদিত পন্য মোটর সাইকেল নেপালে রপ্তানী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। ’শুভ সুচনা’ নামক এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ অধ্যাপক ডাঃ এম আমানউল্লাহ ।

এ সময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রানার অটোমোবাইলস্ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান,ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হোসেন,ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুকেশ শর্মা, নেপালের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মি. ধন বাহাদুর অলি,আমাদানী কারক প্রতিষ্ঠান মেট্রিক্স মোটো কর্পোরেশনের দিলিপ কুমার কার্না, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব সাইফুর রহমান শেখর, ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃগালিফ,

ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল আহসান তালুকদার,সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পিন্টুসহ আমদানী ও রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুধীজন।রানার অটোমোবাইলস্ লি. এর চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, এই কারখানায় বর্তমানে প্রতিদিন ৫শত মোটর সাইকেল উৎপাদন হচ্ছে। ২০১৮ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা ১হাজারে উন্নীত করনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,২০০০ সালে মোটর সাইকেল আমদানী করে বাজারজাত শুরু করে রানার।কয়েক বছরে প্রতিষ্ঠানটি মোটর সাইকেলের পার্টস সংযোজন শুরু করে। ২০০৭সালে ময়মনসিংহের ভালুকায় রানার বাংলাদেশে প্রথম মোটর সাইকেলের কম্পোনেন্ট তৈরীর মাধমে স্থায়ীভাবে মোটর সাইকেল উৎপাদন শুরু করে যা বুয়েট এবং বিআরটিসি অনুমোদন দেয়। পরবর্তীতে ২০১১সালে রানা পানচিং,ওয়েনডিং,পেইনটিংএসেম্বলি,টেস্টিং ইত্যাদি মেশিনারীজ স্থাপনের মাধ্যমে মোটর সাইকেল উৎপাদন কারী হিসেবে সরকারী অনুমোদন লাভের পর ২০১২সালে পুরোদমে উৎপাদন কাজ শুরু হয়।