Pages

Categories

Search

আজ- শনিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৮

বদলগাছীতে কয়লার সন্ধ্যানে দ্বিতীয় কূপ খননের প্রস্তুতি

অক্টোবর ১৬, ২০১৬
নওগাঁ, প্রকৃতি, বিবিধ
No Comment

khoni-copy
এমদাদুল হক দুলু , বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর বদলগাছীতে কয়লার সন্ধ্যানে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর জিএসবি দলের দ্বিতীয় কূপ খননের প্রস্তুতি চলছে। উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নে তাজপুর চুনা পাথর খনির বিস্তৃতি ও মজুদ যাচাইয়ের জন্য আবারো মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদপ্তর এর (জিএসবি) দল।
জিএসবির পরিচালক সিরাজুল ইসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এরই মধ্যে তাজপুর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে ভগবানপুর গ্রামে দেওয়ানপাড়ায় নতুন করে অনুসন্ধানের জন্য আর একটি কূপ খননের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি এই খনির দ্বিতীয় কূপ খনন। আগামী নভেম্বর মাসের শুরুতেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই কূপ খনন এর কাজ শুরু করা হবে। এ কূপ খননের জন্য দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ভগবানপুরে চুনা পাথর ও কয়লাসহ অন্যান্য মূল্যবান খনিজ সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
জিএসবির উপ-পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশল) ও কূপ খনন টিমের প্রধান মহিরুল ইসলাম জানান, আগামী নভেম্বর মাসের শুরুতেই ভগবানপুরে আর একটি নতুন কূপ খনন এর কাজ শুরু করা হবে। এ খনন করার জন্য অত্যাধুনিক রিগ মেশিন বসানো হবে সেখানে। ভগবানপুরে প্রায় তিন হাজার ফিট গভীর করে কূপ খনন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জিএসবির উপ-পরিচালক (ভূ-পদার্থ) কেএইচএম সাইফুর রহমান জানান, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে উপজেলার তাজপুরসহ আশেপাশের এলাকায় একটি প্রাথমিক জরিপ চালান জিএসবির গবেষক দল। ঐ জরিপে গবেষকরা এখানে ভূ-গর্ভে মূল্যবান খনিজ সম্পদের সন্ধান পান। গবেষকদের প্রাথমিক জরিপের সেই সূত্র ধরে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তাজপুরে স্তরতাত্তি¡ক তথ্য সংগ্রহে প্রথম কূপটির খনন কাজ শুরু করা হয়। তাজপুরে খননকালে চুনা পাথরের সন্ধান পাওয়া যায় প্রায় ২ হাজার ৭১৪ ফুট নিচে । খনন করা হয় প্রায় ২ হাজার ৮২০ ফিট নিচ পর্যন্ত। এতে প্রায় ১০০ ফুট চুনা পাথরের পুরুত্ব ধরা পরে । এছাড়া এই এলাকায় ৫০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে খনির বিস্তৃতি রয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। জিএসবির পরিচালক সিরাজুল ইসলাম খান বলেন, তাজপুরে আবিষ্কৃত খনিতে রয়েছে উন্নত মানের চুনা পাথর। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মজুদ বলেও উলে­খ করেন তিনি। তবে এই খনি আবিষ্কার হওয়ার পর মজুদ ও বিস্তৃতি নিশ্চিত হওয়ার জন্য পর্যায়ক্রমে খনি এলাকায় আরো চারটি কূপ খনন করা হবে। তাজপুরের তুলনায় দ্বিতীয় কূপ খনন ভগবানপুর দেওয়ানপাড়ায় অপেক্ষাকৃত কম গভীরেই মূলবান খনিজ সম্পদ পাওয়া যাবে বলে ধারণা করছেন তারা।