Pages

Categories

Search

আজ- শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পীরগঞ্জের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, শিক্ষা বিঘ্ন

নভেম্বর ১১, ২০১৭
রংপুর, শিক্ষা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
No Comment


বখতিয়ার রহমান, পীরগঞ্জ ( রংপুর): দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন । অনেকে মনে করেন দেশে শিক্ষার মান যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে । আবার অনেকে মনে করেন পাবলিক পরীক্ষা গুলো যে ভাবে চলছে, তাতে পাশের হার বাড়লেও ছাত্রছাত্রীদের মাঝে প্রত্যাশিত মেধার বিকাশ ঘটছে না ।
এমনি জল্পনা কল্পনার মাঝেও কেমন চলছে পীরগঞ্জের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো ? পেশাগত দায়িত্বে এর বাস্তবতা জানতে ১১ নভেম্বর শনিবার /২০১৭ গিয়েছিলাম রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের “ ঘোষপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে” । যখন বিদ্যালয়ে পৌঁছি তখন ঘড়িতে সময় বিকাল ১২ টা বেজে মিনিট ৩০ মিনিট । বিদ্যালয়ে পৌঁছিই লক্ষ্য করলাম ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে এবং ২ শিক্ষিকা অফিসে বসে আছেন । আমার পরিচয় দিয়ে তাদেক জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নুর আলম সিদ্দিকী ৫ম শ্রেনীর পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র নেয়ার জন্য শানেরহাট গেছেন । উপস্থিত শিক্ষিকা ফরিদা আকতার ও রওনক জাহান এর সঙ্গে সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকের পদ সংখ্যা ৫ । এ ৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ইয়াতিজা পারভীন এম এড করছেন এবং সুলতানা পারভীন গত আগষ্ট থেকে মাতৃকালিন ছুটিতে রয়েছেন । সর্বপরি বিদ্যালয়টিতে ৫ শিক্ষকের মধ্যে এখন রয়েছে ৩ জন ।
বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, বিদ্যালয়টিতে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৭২ জন জন । এর মধ্যে এ দিন ১৮ জন অনুপস্থিত ছিল । এর মধ্যে শিশু শ্রেণীর ৩১ জনের মধ্যে ৪ জন, ১ম শ্রেণীর ২৮ জনের মধ্যে ৩ জন , ২য় শ্রেণীতে ৩৩ জনের মধ্যে ৩ জন, ৩য় শ্রেণীতে ২৩ জনের মধ্যে ২ জন এবং ৪র্থ শ্রেণতে ২৭ জনের মধ্যে ৪ জন এবং ৫ম শ্রেণীর ৩০ জনের মধ্যে ২ জন ছাত্রছাত্রী অনুপস্থিত রয়েছে ।
বিদ্যালয়টিতে পাঠদ্বানের ব্যাপারে কোন সমস্যা আছে কিনা ? এ ব্যাপারে উপস্থিত শিক্ষিকা ২ জন এর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষক সংকট তো আছেই । তার পরেও বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন ২ টি পুকুর ও রাস্তা থাকার কারনে খেলাধুলার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে এবং খেলা ধুলার সরঞ্জামাদীরও অভাব রয়েছে । আমি শিক্ষিকাদ্বয়ের সঙ্গে কথা বলার শেষান্তে বিকাল ১ টায় বিদ্যালয়টির ও ৫ম শ্রেণীর ক্লাসের ছবি ক্যামেরা বন্দি করে পেশাগত দায়িত্বে অন্যত্র রওয়ানা দেই ।