Pages

Categories

Search

আজ- শনিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৮

পাঁচবিবিতে মিথ্যা খবর প্রকাশকরায় আদালতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার মানহানী মামলা

অগাষ্ট ২, ২০১৭
আইন- আদালত, জয়পুরহাট
No Comment


আহসান হাবিব, পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা : জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে মিথ্যা খবর প্রকাশ করায় ২ সাংবাদিক ও ২ পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার মানহানী মামলা হয়েছে।
উপজেলার চকশিমুলিয়া গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাইস মিল ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে জয়পুরহাট সিনিয়র জুডি শিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ২৭ জুলাই মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১২৩)।

মামলার আসামীরা হলে ভোরের দর্পন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাসরিন হায়দার, পাঁচবিবি উপজেলা প্রতিনিধি আকতার হোসেন বকুল, দৈনিক বগুড়া পত্রিকার সম্পাদক রেজাউল করিম বাদশা ও পাঁচবিবি উপজেলা প্রতিনিধি সজল কুমার দাস।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে বাদী জহুরুল ইসলাম উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের রতনপুর বাজারে ধান ও গম ভাঙ্গার রাইস মিল ব্যবসায়ী। তার কোন কড়াত কল (স’মিল) নেই। অথচ তাকে কড়াত কলের মালিক বানিয়ে গত ১৮ জুলাই ভোরের দর্পন ও দৈনিক বগুড়া পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়। পত্রিকা দু’টিতে প্রকাশ করা হয়েছে জেলা বন ও পরিবেশ কর্মকর্তার যোগ সাজশে জহুরুল ইসলাম অবৈধ ভাবে রতনপুর বটতলা বাজারে কড়াত কল স্থাপন করেছেন। রাতের আঁধারে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে ফাড়াই করে ভারতসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে এমন মিথ্যা ও চাঞ্চল্য খবর প্রকাশ করায় বাদী তাদের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার মানহানী মামলা করেন। এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেলা বন ও পরিবেশ কর্মকর্তা বাহারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর উদ্দিন আল ফারুকের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেখানে জহুরুল ইসলামের কোন কড়াত কল পাইনি। তবে তিনি কড়াত কল বসানোর অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন মাত্র।

উল্লেখ্য পাঁচবিবি হলুদ সাংবাদিকের অত্যাচারে সাধারণ জনগন অতিষ্ট। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকার পরও ভূঁইফোর পত্রিকা, টিভি চ্যানেল ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে লোকজনের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের একাধীক অভিযোগ রয়েছে। চাকরি, ব্যবসা, কৃষি কাজ করেননা কিংবা পত্রিকা অফিস থেকেও সম্মানি পাননা তার পরও কেউ কেউ এ পেশা থেকে গাড়ি বাড়ি করেছেন। ক্যামেরা ঝুলিয়ে গোটা উপজেলা দাপিয়ে বেড়ান। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হুমড়ি খেয়ে ছবি তুলে পেশাদারিত্বের জানান দিলেও ভেতরে ফাঁকা। অনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যুেম মানুষের কাছে সাংবাদিকতা পেশাকে কলঙ্কিত করছেন। সাধারণ মানুষ ভয়ে এদের সাথে বাদানুবাদ করতে চান না। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে হলুদ সাংবাদিকতা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়বে