Pages

Categories

Search

আজ- শুক্রবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিখোঁজ ছেলেকে ছাড়া মীর কাসেম আলী কোনো সিদ্ধান্ত দিবেন না

Gazipur_Mir_Quasim_Wife-1[1]

আবু বকর সিদ্দিক আকন্দ: মার্সি পিটিশন করবেন কিনা এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত মীর কাসেম আলী এখন দিবেন না। তার পরিবারও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না।

মীর কাসেম আলীর স্ত্রী স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, মীর কাসেম আলীর দাবী গত ২২ দিন আগে সাদা পোশাকধারী লোকজন তাদের ছেলে ব্যারিস্টার আহম্মেদ বিন কাসেমকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে গেছে। তিনি শুধু ছেলই নন মীর কাসেম আলীর মামলার আইনজীবি। পাবিারিক যে কোনো সিদ্ধান্তে পরামর্শের জন্য পরিবারের লোক হিসেবে তাকে প্রয়োজন।

আয়েশা খাতুন বলেন, আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আগে আমাদের ছেলেকে চাই।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সাথে পরিবারের তিন শিশুসহ ৯ সদস্যের স্বজনেরা কথা বলার জন্য দুপুর আড়াইটার দিকে কারাগারে প্রবেশ করেন। দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা কারগার থেকে বের হন।

কাশিমপুর কে›ন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তাদের মধ্যে রয়েছেন স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন, কন্যা সুমাইয়া রাবেয়া, তাহেরা তাসনিম, পুত্রবধূ সাহেদা তাহমিদা, তাহমিনা আক্তার, ভাতিজা হাসান জামান খান ও পরিবারের তিন শিশু।

বুধবার সকালে তাকে রিভিউ আবেদন খারিজের রায় পড়ে শোনানো হয়েছে। রায় শোনার পর কিছুটা চিন্তিত ও চেহারায় উদ্বিগ্নতার ছাপ এবং বিমর্ষ দেখা গেছে।

কাশিমপুর কে›ন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, প্রাণ ভিক্ষার জন্য যে সময় তিনি চেয়েছেন সে ব্যাপারে আইনগত উপায়েই প্রক্রিয়া হবে। তার এ সময় চাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে তিনি কারাগারে তার কাছে থাকা রেডিওর মাধ্যমে রিভিউ খারিজ সংক্রান্ত রায় শুনেছিলেন।

মঙ্গলবার রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মীর কাসেম আলীর রিভিউ খারিজ সংক্রান্ত রায়ের কপি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এসে পৌঁছে দেয়া হয়। রাত অনেক বেশি হওয়ায় রাতে মীর কাসেম আলীকে তা পড়ে শোনানো হয়নি। বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে রায় পড়ে শোনানো হয়।

৬৩ বছর বয়সী মীর কাসেম আলী কাশিমপুর কে›ন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির কনডেম সেলে বন্দী রয়েছেন। গ্রেপ্তারের পর ২০১২ সাল থেকে তিনি এ কারাগারে রয়েছেন। ২০১৪ সালের আগে তিনি এ কারাগারে হাজতবাসকালে ডিভিশনপ্র্রাপ্ত বন্দীর মর্যাদায় ছিলেন। পরে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তির পর তাকে ফাঁসির কনডেম সেলে পাঠানো হয়।