Pages

Categories

Search

আজ- রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮

নাইক্ষ্যংছড়ি উপবন লেক….জলরাশিতে নয়নাভিরাম সৌন্দর্য

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৪
অর্থ বাণিজ্য, চট্রগ্রাম, বিনোদন
No Comment

upaban_lek_pic_2[1]
সোয়েব সাঈদ, রামু ,কক্সবাজার ঃ
পাহাড়কন্যা বান্দরবান জেলার আরেক সতীন রুপসী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যের নিদর্শন নাইক্ষ্যংছড়ি উপবন লেক। চারপাশে উপজাতি ও বাঙ্গালি অধ্যুষিত এলাকায় প্রাকৃতিক এ লেকের ¯^চ্ছ জলরাশি, গাছগাছালি সুশোভিত নয়নাভিরাম সৌন্দর্য ভ্রমনপিপাসুদের বিমোহিত করবেই।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এ লেকে রয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন ঝুলন্ত সেতু। রয়েছে কার্পেটিং করা পাহাড়ি সেতু হয়ে উপরে উঠে পাহাড়কন্যা নাইক্ষ্যংছড়ি মনোরম ছায়ানিবিড় সৌন্দর্য অবলোকনের সুযোগ। যা ভ্রমনার্থীদের আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাছ থেকে উপভোগ করতে চাইলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন এ লেকে।
বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় উপবন লেক ও ঝুলন্ত সেতু দেখতে সারাবছর জুড়েই থাকে পর্যটকের সরব উপস্থিতি। এছাড়া স্থানিয় এবং আশপাশের জেলা-উপজেলার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, পারিবারিক ও অন্যান্য সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের পিকনিক আয়োজনে শীত মৌসুমের শুরু থেকে মুখর থাকে লেকের পরিবেশ।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম ইকবাল জানান, এটি কৃত্রিম হৃদ। এখানে আসা ভ্রমনার্থীরা লেকটির সৌন্দর্য দেখে বিমোহিত হন। তবে লেকটির সৌন্দর্য বর্ধনসহ পর্যটনখাত বিবেচনা করে এর উন্নয়নে আরো কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রকৃতি, পর্যটক, পর্যটন শিল্প আর সরকারের রাজশ্ব আয়সহ সবখাতে সফলতা আসবে। তিনি লেকটিকে জেলা পরিষদ বা পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদের আওতাধিন করে সংস্কারের দাবি জানান। এজন্য সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
জানা গেছে, এ লেকে শৌখিন মৎস্য শিকারিরা বড়শি দিয়ে মাছ ধরে থাকেন। উপজেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় বছরজুড়ে থাকে মৎস্য শিকারের এ আয়োজন। তবে মাছ শিকারের জন্য উপজেলা পরিষদ থেকে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়।
মাছ শিকার করতে আসা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পার্শ্ববর্তী রামু উপজেলা বাসিন্দা অধ্যাপক ইজত উল্লাহ জানালেন, এখানে মাছ ধরার পাশাপাশি লেকের সৌন্দর্যও উপভোগ করা যায়। তিনি জানান, লেকটিকে আধুনিকায়ন করা হলে পর্যটক উপস্থিত বেড়ে যাবে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপবন লেকের চারপাশে রয়েছে বাঙ্গালী ও পাহাড়ি অধিবাসীদের বসতি। বিশেষ করে লেকের পূর্বপাশে ঝুলন্ত সেতুটি পার হলেই চোখে পড়বে পাহাড়ি উপজাতিদের বসতি। সারি সারি কাঠের বাড়ি আর তাদের ভাষা-সংস্কৃতি আদি এ জনগোষ্ঠির জীবনচিত্রের ভিন্নতা তুলে ধরবে।
যেভাবে যাবেন-যে কোন এলাকা থেকে বাস যোগে এসে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়কের রামু বাইপাস নামতে হবে। এরপর বাস বা যে কোন ছোট যানবাহন নিয়ে ১৩ কিলোমিটার দুরত্বে নাইক্ষ্যংছড়ি ষ্টেশনে এসে পায়ে হেটে বা রিক্সা নিয়ে একটু দক্ষিন দিকে গেলে দেখা যাবে উপবন লেক।