Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নওগাঁ-২ আসনে ভোট যুদ্ধ হবে বড় দুই দলে

অক্টোবর ২৩, ২০১৭
নওগাঁ, নির্বাচন, রাজনীতি
No Comment

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ সংবাদদাতা: জেলার ধামইরহাট-পত্মীতলা উপজেলা নিয়ে নওগাঁ-২ আসন গঠিত। এ আসনটি আদি বরেন্দ্র অঞ্চল নামে খ্যাত। বিএনপি’র ঘাঁটি হলেও বর্তমান আসনটি আওয়ামীলীেেগর দখলে রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নওগাঁ-২ (ধামইরহাট-পত্মীতলা) সংসদীয় আসনে বড় দু’টি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র বেশী সংখ্যার দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদেও নাম শোনা যাচ্ছে।
২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মহাজোট সমর্থিত আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোঃ শহীদুজ্জামান সরকার এমপি নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে জাতীয় সংসদের হুইপের দায়িত্ব পালন করছেন। পঞ্চম থেকে দশম ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে বড় দুটি দলের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়নি। ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত পত্মীতলা উপজেলা থেকে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। অপরদিকে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগও একই নীতি অনুসরণ করে ধামইরহাট উপজেলা থেকে মো: শহীদুজ্জামান সরকার দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।
এবারও একই ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবারও পত্মীতলা উপজেলা থেকে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন নিশ্চিত। অপরদিকে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, ধামইরহাট উপজেলা থেকে এবারও আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মো: শহীদুজ্জামান সরকারের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত। ১৯৯১ সালে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মো: শহীদুজ্জামান সরকার বিএনপি প্রার্থী মোঃ আব্দুর রউফ মান্নান কে পরাজিত করে প্রথম বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী ও একই বছরের ১২ জুন এবং ২০০১ সালের ১অক্টোবর সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মো: সামসুজ্জোহা খান তৃতীয় বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোঃ শহীদুজ্জামান সরকার দ্বিতীয় বার এবং ২০১৪ সালে তৃতীয় বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন।
বর্তমানে তিনি জাতীয় সংসদে সরকারি দলের হুইপের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে ২০১৪ সালে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানে এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন লাভের চেষ্টা করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ৩ বারের সাবেক এমপি মোঃ সামসুজ্জোহা খান, নওগাঁ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম লিটন।
আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে বর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ মো: শহীদুজ্জামান সরকার, প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব আমিনুল হক, জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ড. ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলম, কেন্দ্রীয় প্রজন্মলীগ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি মো: মাহমুদ রেজা মেহেদী মনোনয়ন প্রত্যাশি।
এদিকে জামাতের প্রকাশ্য কার্যক্রম না থাকলেও উল্লেখ্যযোগ্য ভোটার রয়েছে। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে জামাতের পক্ষ দুই বারের ধামইরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান মো: মঈন উদ্দিন প্রার্থী হতে পারেন।
দলীয় কার্যক্রম না থাকলেও জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির নেতা বিএসএ হুমায়ুন কবির চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবেদা খাতুন, বিগত উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপজেলা জাতীয় পার্র্টির সম্পাদক কাজী গোলাম রসুল, মো: বদিউজ্জামান দলীয় মনোনয়ন লাভের চেষ্টা করছেন। তবে মুল প্রতিদ্ব›িদ্বতা হবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী মনোনয়ন এর উপর নির্ভর করছে জয়-পরাজয়।