Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নওগাঁয় ফারাজ আইয়াজ স্মৃতি গাদল প্রতিযোগিতা

জুলাই ২, ২০১৭
খেলাধুলা, নওগাঁ, স্মরণ
No Comment

নওগাঁ প্রতিনিধি: ‘রুখো জঙ্গিবাদ, রুখে মৌলবাদ’ শ্লোগানে নওগাঁয় ফারাজ আইয়াজ হোসেন স্মৃতি গাদল (বদন) প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত খেলা শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সদর উপজেলার লখাইজানি গ্রামে স্থানীয় সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ নওগাঁ তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
গত বছরের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেঁস্তোরায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ফারাজ আইয়াজ হোসেনসহ অন্যান্য শহীদদের স্মরণে স্থানীয় সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ নওগাঁ তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
চুড়ান্ত খেলা শুরুর আগে বিকেল ৪টায় ফারাজ আইয়াজসহ গুলশানের হলি আর্টিজানে নিহত শহীদদের উদ্দেশে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। একুশে পরিষদ নওগাঁর সভাপতি অ্যাড. ডিএম আবদুল বারীর সভাপতিত্বে ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. ফজলে রাব্বী বকু। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম খান, একুশে পরিষদ নওগাঁর সাধারণ সম্পাদক মেহমুদ মোস্তফা রাসেল, ক্রীড়া সংগঠক প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, ফারাজ আইয়াজ তারুণ্যের প্রতিনিধি। তিনি সাহসিকতা ও মানবতার যে উদাহরণ রেখে গেছেন তা অনুকরণীয়। আজকের তরুণ সমাজকে ফারাজের মতো তরুণদের অনুসরণ করার আহবান জানান তিনি।
আলোচনা শেষে সদর উপজেলার লাখাইজানি গ্রামের খেলার মাঠে বিকেলে সাড়ে ৫টায় শুরু হওয়া ফাইনাল খেলা শুরু হয়। এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায়  গাদল দল ও যুব উন্নয়ন গাদল দলকে ৩-০ গাদলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
একুশে পরিষদ নওগাঁর সভাপতি অ্যাড. ডিএম আব্দুল বারী বলেন, হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের স্মরণ এবং জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার প্রতিদিনই আলোচনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিদগ্ধ ব্যক্তিরা জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে আলোচনা করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় মোট আটটি দল অংশ নেয়। গ্রামীণ খেলাধুলার মধ্যে একটি পরিচিত খেলা হলো গাদল। এই খেলার জন্য ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের মাঠ থাকে। থাকে চারটি লাইনে লবন, ছই ও গাদল নামে তিনটি ঘর। প্রতিটি দলে পাঁচজন করে খেলোয়ার থাকে। মোট ২৫ মিনিট এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।