Pages

Categories

Search

আজ- রবিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নওগাঁর সাপাহারে শুরু হয়েছে মৌসুমী ফল আম কেনা-বেচা

মে ২৯, ২০১৭
অর্থ বাণিজ্য, কৃষি, নওগাঁ
No Comment


আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ প্রতিক্ষার প্রহর শেষে বাজারে আম বিক্রি করতে পেরে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার আম চাষীদের মুখে এখন সোনালী হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন কীটনাশক স্প্রে করে অপরিপক্ক আম পাকিয়ে অতীতে বাজারে বিক্রি করে অনেক মুনাফা পেলেও এবারে সরকারের বেধে দেয়া নিয়মনীতি অনুসারে একটু পরে হলেও এখন বাজারে পুর্ন পরিপক্ক আম এসেছে।
দেশের বৃহত্তম আমের বাজার চাঁপাই নবাবগঞ্জের পর সাপাহারে আম কেনা বেচার কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার হতে বাজারে আম কেনা বেচার কথা শুনে অনেক বাগান মালিক বাগানে বাগানে আম ভাঙ্গার কাজে লেগে পড়েছেন। সোমবার প্রথম বাগানের আম তারা বাজার জাত করতে পেরে বেশ খুশি হয়েছেন। আম কেনা বেচার বিষয়টি কয়েক দিন পূর্বেই জানা জানি হলে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আম বেপারীগন আড়তে আড়তে ঠাঁই নিয়েছেন আম কিনতে। বাজারে আম বিক্রেতা জৈনক জয়নাল আবেদীনের,ফিরোজের সাথে কথা হলে তারা জানান যে, চড়া দামে আম বিক্রি করতে পেরে সে অনেক খুশি হয়েছেন।
আম বিক্রি শুরু হতে না হতেই আম বাজার বা আড়ত এলাকা ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। ভর মৌসুমে এসব এলাকায় তিল ধরনের ঠাঁই মিলবেনা বলেও অনেক আড়তদারগন জানিয়েছেন। এদিকে বাজার ও আমের আড়তগুলোতে প্রাণ পেপসি ও জুসের জন্য ৫শত’থেকে ৮শত’টাকা মন দরে বিভিন্ন গুটি আম ও ১২শত’ হতে ১৬শত’টাকা মন দরে গোপালভোগ আম কেনা বেচা হতে দেখা গেছে।
অন্যান্য জাতের আমের বিষয়ে বিভিন্ন বাগান মালিক ও আড়তদার গনের সাথে কথা হলে তারা জানান যে, খিরশাপাত, হিমসাগর, ক্ষুদি খিরসা, লেংড়া আম বাজারে আসতে আরোও দু’তিন সপ্তাহ লেগে যাবে। এ ছাড়া ফজলী, আ¤্রপলী, আশ্বিনা সহ আরো বেশ কয়েক জাতের আম প্রায় রোজার শেষে বাজারে আসবে বলেও বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীগন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কৃষি দপ্তর ও ব্যাবসায়ীগন সূত্রে জানা গেছে এবারে সাপাহারে আম বাজারে প্রায় ৭থেকে ৮শ’ কোটি টাকার অর্থনৈতিক লেন দেন হবে এছাড়া উপজেলায় প্রায় ১৫হাজার হেঃ জমিতে লাগানো বাগানে প্রায় ১৩লক্ষ গাছ হতে প্রায় দেড় লক্ষ টন আম উৎপাদন হতে পারে বলেও জানা গেছে।
আর কিছু দিন পরে ঠাঁঠা বরেন্দ্র এলাকার খিরশাপাত, লেংড়া, হিমসাগর, মহোনভোগ, দুধসাগর, কুমড়াজালী,ফজলী, নাগফজলী, আ¤্রপলী, বারীফোর, হাঁড়ীভাঙ্গা, আশ্বীনা সহ বিভন্ন জাতের সুমিষ্ট রসালো আমের সমাহারে আমের বাজার ভরপুর হয়ে উঠবে বলেও এলাকার আম বাগান মালিক ও আড়তদারগন জানান। জেলার কোথাও কোন আম সংরক্ষনাগার বা জুস জেলী তৈরীর কোন কারখানা না থাকায় কোন কারণে আমের বাজারে দর পতন ঘটলে এলাকার আম চাষীদের মাথায় বাজ পড়বে বলেও অনেক বাগান মালিক জানিয়েছেন।