Pages

Categories

Search

আজ- বুধবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নওগাঁর চিকন সুগন্ধী আতব ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

নভেম্বর ২২, ২০১৭
উন্নয়ন সংবাদ, কৃষি, নওগাঁ
No Comment

জি এম মিঠন, উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরে চলতি আমন মৌসুমে চিকন জাতের সুগন্ধী আতব ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেয়াই উপজেলার কৃষক-কৃষানীর মুখে ফুটে উঠেছে হাসির ঝলক। উপজেলার মাঠের পর মাঠ সদ্যবের হওয়া চিকন জাতের সুগন্ধী আতব ধানের শীষ যেন দোল খাচ্ছে। ইতি মধ্যেই এ উপজেলায় মোটা জাতের বিশেষ করে স্বর্ণা-৫ জাতের ধান কাটা-মাড়াই শুরু করেছে কৃষকরা। মোটা জাতের ধান কাটা-মাড়ায়ের পরই পুরোদমে শুরু হবে চিকন জাতের সুগন্ধী আতব ধান কাটা মাড়াই।
তবে মৌসুমের শেষ মহূর্তে উপজেলার কয়েকটি মাঠে চিকন জাতের আতব সুগন্ধী ধানের ক্ষেতে ধানের শীষ মরা ব্যাধি আক্রমন করেছে। কৃষকরা কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের পরামর্শে শীষ মরারোধে কিটনাশক স্প্রে করে ব্যাস্ত সময় পার করছেন।
কৃষি সম্পসারন অধিদপ্তর মহাদেবপুর অফিস সুত্রে জানাগেছে, এবার এ উপজেলায় ৯ হাজার ৩শত হেক্টর জমিতে চিকন জাতের আতব সুগন্ধী ধানের চাষ করেছেন কৃষকরা।
উপজেলার রাইগাঁ গ্রামের কৃষক আতিকুর রহমান প্রতিবেদককে জানান, আমাদের মাঠের আতব চিকন সুগন্ধী জাতের ধানের ক্ষেতে হঠাৎ করেই শীষ মরা ব্যাধি দেখা দিয়েছে। শীষ মরা রোধে কিটনাশক ব্যবহার করেও তেমন কাজ করছেনা দাবি করে তিনি আরো বলেন শীষ মরা ব্যাধি রোধ করা না গেলে ধানের ফলন অনেক কমে যাবে।
খোর্দ্দনারায়ন পুর নামাপাড়া গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বাবু জানান, আমি এবারে ৫ বিঘা জমিতে চিকন সুগন্ধী জাতের আতব ধান চাষ করেছি, এখন পর্যন্ত ধানে কোন প্রকার রোগ-বালাই আক্রমন করেনি। ভাল ফলন পাবেন এমন আশাব্যাক্ত করে হাট-বাজারে ধানের বাজার মূল্য ভাল থাকলে এবার কিছুটা লাভবান হবেন বলেও জানান তিনি।
বাগধানা হিন্দু পাড়া গ্রামের রজ্ঞু চন্দ্র ও ঝন্টু চন্দ্র নামের দুই ভাই জানান, আমরা দুই ভাই যৌথ্যমিলে ৬ বিঘা জমিতে চিকন সুগন্ধী জাতের আতব ধান চাষ করেছি, আমাদের জমিতে সদ্যবের হওয়া ধানের শীষ মরাব্যাধি আক্রমন করলেও শুরুতেই এলাকার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে বালাই নাশক ব্যবহার করায় শীষ মরা রোধ করা সম্ভব হয়েছে এজন্য এবারে ধানের ফলন ভালই হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম মফিদুল ইসলাম জানান,এবারে মহাদেবপুর উপজেলায় শুধুমাত্র চিকন আতব সুগন্ধী জাতের ধানই ৯ হাজার ৩শত হেক্টর জমিতে চাষ করেছেন উপজেলার কৃষকরা। মাঠের ধান গাছের অবস্থা এখন পর্যন্ত ভালই আছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে উপজেলায় চিকন আতব সুগন্ধী ধানের বাম্পার ফলনের আশা ব্যাক্ত করে তিনি আরো বলেন, কৃষকের মাঠের ধান বিভিন্ন পোকা মাকড়ের ও শীষ মরা রোধে কৃষিদপ্তর হতে প্রতিনিয়ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকের সাথে মাঠে গিয়ে বিভিন্ন উদেশ পরামর্শ দিয়ে চলেছেন।