Pages

Categories

Search

আজ- রবিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

দুর্ব্যবহার ও অব্যবস্থাপনা অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষক ইনষ্টিটিউটে প্রশিক্ষানর্থীদের বিক্ষোভ

মার্চ ১৬, ২০১৬
গাজীপুর, শিক্ষা
No Comment

Gazipur pic (2)নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের বোর্ডবাজারস্থ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষক ইনষ্টিটিউটের প্রশিক্ষানর্থীরা ক্লাশ বর্জন করে দিনভর বিক্ষোভ করেছে। অব্যবস্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে তারা মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ওই কর্মসূচি পালন করে।

প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা জানান, টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রভমেন্ট প্রকল্পের অধিনে ওই ইনষ্টিটিউটে দেশের বিভিন্ন কলেজ থেকে বাংলা, জীববিদ্যা ও পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে ২৪ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ১৬ মার্চ কোর্স শেষ হওয়ার কথা। এ ধরনের আরো ৩টি ব্যাচ একই সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শুরু করে।

তাদের অভিযোগ, হোষ্টেলে খাবারের মান নিন্মমানের। দিনে দু’বেলা টিফিন বাবদ ৮০ টাকা বরাদ্ধ থাকলেও কম টাকার টিফিন দেওয়া হয়। আইসিটি বিষয়ে ১০টি ক্লাশ নেওয়ার কথা থাকলেও ক্লাশ হয়েছে মাত্র তিনটি। ১০টি কম্পিউটারের মধ্যে ৭টিই বিকল। জেনারেটর থাকলেও নষ্ট।

ইনষ্টিটিউটে অধ্যক্ষ প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে অসৌজনমুলক আচরণ ও দূর্ব্যবহার করে। তিনি (অধ্যক্ষ) শিক্ষকদের ‘তুই/তুমি’ সম্বোধন করে থাকেন। তার নিজের লেখা বই কিনতেও প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থকে বাধ্য করেছেন।

প্রশিক্ষণার্থীরা আরো অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার দুপুরে এসব অব্যবস্থাপনার কথা অধ্যক্ষকে জানাতে গেলে তিনি প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে তারা দুপুরের পর থেকে ক্লাস বর্জন করে একাডেমিক ভবনের নীচে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করেন।

Gazipur pic (1)গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্কুলের ২৫জন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকদের একটি ব্যাচের প্রশিক্ষন মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। তাদের সাথেও একই ধরনের আচরণ করা হয়েছে। ৩০ দিনের প্রশিক্ষণ বাবাদ প্রত্যেক শিক্ষক দৈনিক ৪০০ টাকা এবং যাতায়ত বাবদ ১২’শ টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু তাদের শুধু যাতায়ত ভাতা দিয়ে বিদায় করা হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ড. মো. আহাম্মদ উল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, সম্প্রতি প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব বনমালী ভৌমিক বদলী হয়ে যাওয়ায় প্রশিক্ষণের টাকা ছাড় করা যায়নি। এতে প্রশিক্ষণ ভাতার অর্থ সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়েগের পরই অর্থ সংকট কেটে যাবে। দূর্ব্যবহার ও নিজের লেখা বই কিনতে বাধ্য করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।