Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

চিরিরবন্দরের ঈদ বাজার জমে উঠেনি

Exif_JPEG_420

Exif_JPEG_420

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে জমকালো পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। তবে এখনো জমে উঠেনি ঈদের বাজার। দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার রাতের গ্রামীন শহরে দেখা যাযনি ক্রেতাদের তেমন ভিড। ছবিটি শনিবার (১০সেপ্টেম্বর) গ্রামীন শহর রানীরবন্দর মমতাজ সুপার মার্কেট থেকে সন্ধা ৭.৩০ মিনিটে তোলা।

কোরবানী ঈদ ঘনিয়ে আসলে ও চিরিরবন্দর মার্কেট গুলোতে এখনো জমে উঠেনি ঈদের কেনাকাটা । দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ঈদের আমেজ জমে উঠেনি । এছাড়া পুরো উত্তরবঙ্গ সহ দিনাজপুরে ভারতীয় গরু না আসায় দেশী গরুর চাহিদা বেড়ে গেছে । ফলে মানুয়ে কোরবানি দেওয়াই ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের যেখানে জীবন জীবিকা নির্বাহ করাই দায়। সেখানে ঈদের কেনাকাটা করা দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে । উপজেলার সর্বত্র নিন্ম আয়ের মানুষের মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে প্রতিনিয়ত । তাই ঈদের কেনাকাটা জমে না উঠায় বিভিন্ন বিপণী বিতানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় নেই বললেই চলে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মমতাজ সুপার মার্কেট,রুম মার্কেট, বলিউট বাজার, আফজাল সুপার মার্কেট, মান্নান স্টর, এবং খানসামা রোডের মার্কেটগুলোর বিপণী বিতানে ক্রেতাদের ভীড় না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

আফজাল সুপার মার্কেট মালিক হাবিবুর রহমান জানায় , ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুর আযহায় কেনাকাটা এমনিতে কম হয় , তারপরেও এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় ঈদুল আযহার কেনাকাটা তুলনামূলক ভাবে অনেক কম হওয়ায় বেশ হতাশ তারা । এ জন্য দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিকেই দায়ী করলেন।

মমতাজ সুপার মার্কেটের সাগর জানান, বিগত ১০ বছরে ঈদের বাজারে এমন মন্দা ছিল না। তাঁর ভাষ্য মতে ঈদের আর দু দিন বাকী কিন্তু যে পরিমান গ্রাহকের চাপ থাকার কথা সে পরিমাণ চাপ নেই।

বলিউট বাজারের মালিক বাবু জানান, ঈদেই যে জমজমাট ব্যবসা হওয়ার কথা সেইভাবে এবার ব্যবসা হচ্ছে না। আগামী দুদিনে হয়তো কিছু বেচাবিক্রি হবে বলে আশা করছি। এছাড়া সু দোকান গুলিতে ক্রেতা নেই ফলে পুরো ঈদের বাজার ক্রেতা সংকটে ভুগছে ।

রেলওয়ে সুপার বাজারের ব্যবসায়ী হাসান আলী বলেন, নিম্ন আয়ের লোকজনের পক্ষে দুই ঈদে কেনাকাটা করা কষ্টসাধ্য হওয়ায় এবার ঈদে তেমন কাপড়ের বিক্রি নেই। শেষ মুহুতে এসে কিছু কেনাকাটা হবে বলে মনে হচ্ছে।

টেইলার্স গুলিতে নেই জামা কাপড় তৈরীর ভীড়, টেইলার্সের কারিগররা অলস সময় কাটাচ্ছে । এ ছাড়া সু দোকান এবং জুয়েলারী দোকান গুলিতে ক্রেতা নেই ফলে পুরো ঈদের বাজার ক্রেতা সংকটে ভুগছে । তবে বিত্তবান পরিবার ছাড়া সাধারণ মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে অনেকাংশেই কম।

এখন ক্রেতা কম হলেও বিক্রেতারা আশা করছেন, আগামী রবিবার থেকে পুরোপুরি জমজমাট হবে ঈদবাজার।