Pages

Categories

Search

আজ- বুধবার ১৪ নভেম্বর ২০১৮

তাড়াশ পল্লীবিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতির সত্যতা মিলেছে : জিএম সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৫
অনিয়ম, আইন- আদালত, দূনীতি, সিরাজগঞ্জ
No Comment

এ এম জাহিদ হাসান, চলনবিল ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতায় তাড়াশ সাব জোনাল  অফিসে  অনিয়মের মাধ্যমে  জমি না থাকা  ব্যাক্তির নামে সেচ পাম্পের আবেদন  গ্রহণ, স্থাপনের অনুমতি প্রদান ও টাকা গ্রহন  করার অভিযোগে পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির উল্লাপাড়া প্রধান কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) , ডিজিএমসহ ৪জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন  ভুক্তভোগী গ্রাহক মোবারক হোসেন ।
উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম এর তদন্ত প্রতিবেদন ও কৃষক মোবারক হোসেনের মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দূলিশ্বর গ্রামের অধির চন্দ্রের ছেলে মুত্যঞ্জয় ভৌমিক সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতিতে ২০১৩ সালে ডিসেম্বর মাসে যখন আবেদন করে তখন তাহার নিজ নামে কোন জমি ছিন না । পরবর্তীতে বিষয়টি অভিযোগ উঠার পর ২০১৫ সালে মার্চ মাসে মাত্র ২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন মূত্যঞ্জয় ।  তিনি যে স্থানের সেচ স্থাপনের আবেদন করেছিলেন সে স্থানের পবিস এর পরিপত্র অনুযায়ী নিকটতম সেচ পাম্পের দূরত্ব ৭ শত ৫০ ফুট হওয়ার আবশ্যক ছিল । কিন্ত ৩ শত ফুট দূরত্বে ছিল একই গ্রামের মোবারকের হোসেনের ডিজেল চালিত সেচ যন্ত্র এবং আব্দুস কুদ্দুসের সেচ যন্ত্র ছিল ৬১৫ ফুট দুরে । ফলে মোবারক হোসেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব ও কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম ও উপসহকারী কৃষি অফিসার দুলাল চন্দ্র সেন ও পানাসি প্রকল্পের ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সাইদ সরেজমিনে তদন্ত করেন ।  তদন্তে জমি নাথাকা ব্যক্তি নামের আবেদন গ্রহণ ও টাকা গ্রহণ এবং নীতিমালা অনুযায়ী দূরত্ব না থাকা সত্বেও সংযোগ ও অনুমতি দেয়াকে অনিয়ম, অবৈধ ও রহস্যজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে । কিন্তু উপজেলা কৃষি অফিসারের তদন্ত প্রতিবেদনের পরেও সংযোগটি বন্ধ না করে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করলে পল্লী বিদ্যূৎ উল্লাপাড়া আর,এস অফিসের জি,এম  তুষার কান্তি দেবনাথ, ভুইয়াগাতীঁ অফিসের ডি,জি,এম নিয়াজউদ্দিনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে  গত ৬ সেপ্টম্বর  সিরাজগঞ্জের তাড়াশ সহকারী আদালতে বাদী হয়ে মামলা করেছেন কৃষক মোবারক হোসেন ।
এদিকে জমি ছাড়াই কৃষকের নামে এবং নীতিমালা অনুযায়ী নুন্যতম দূরত্বের ভূয়া রিপোর্ট প্রদানকারী   তাড়াশ পল্লী বিদ্যুতের ওয়ারিং ইনপেক্টর আজিজ মোড়লসহ দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ।
কৃষক মোবারক হোসেন জানান তিনি জি,এম সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিয়েছি এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, সঠিক ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করে অনিয়ম পাওয়ায় বিষয়টি উল্লেখ করে রির্পোট দিয়েছি সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট। ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব তাদের।
তাড়াশ অফিসের এ,জি,এম শামসুজ্জোহা আনছারী বলেন, জমির বিষয়টি  আমাদের যাচাই বাচাই করা  সম্ভব হয়না  ও দূরত্বের  বিষয়টি ইন্সপেক্টর দেখে তবে আমরা সরল বিশ্বাসে কাজ করে থাকি এখন আমরা সর্তকতার সাথে সব ফাইল দেখছি ।