Pages

Categories

Search

আজ- মঙ্গলবার ২০ নভেম্বর ২০১৮

তাড়াশে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতার অভিযোগে বিক্ষোভ

অক্টোবর ৬, ২০১৫
অনিয়ম, দূনীতি, সিরাজগঞ্জ
No Comment

Chalonbil_Pic_06.10.15[1]
এ এম জাহিদ হাসান, চলনবিল ব্যুরোচীফ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল হক ও তার নিকট আত্মীয়দের বিরুদ্ধে  জাল কাগজ পত্র তৈরী করে উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন কোটি টাকা মূল্যের ১টি পুকুরের মালিকানা দাবী করায়  স্থানীয় প্রায় ৫শতাধিক জনতা মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিল করে  ইউএনও’র মাধ্যমে জেলা প্রশাসক সহ  সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে  লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
অভিযোগপত্র, উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রায় সাড়ে ১০ বিঘা আয়তনের রামরায় নামক পুকুরটি  উপজেলা সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বর্তমানেও উপজেলা পরিষদ পুকুরটি ৩ বছরের জন্য সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক লুৎফুল কবির লিমন  এর নামে ইজারা নিয়ে পুকুর পারের শাহী মসজিদ এর উন্নয়ন কাজ করে আসছি এলাকাবাসি । তিনি পুকুরটি চাষাবাদও করছেন। কিন্তু  উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আব্দুল হক, তার দুই সহযোগী  মোশারফ হোসেন ও  আব্দুল হাকিম জাল কাগজ পত্র তৈরী করে উপজেলা ভূমি তহসিল কার্যালয় থেকে নিজেদের নামে নামজারি ও খাজনা প্রদান করে। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার এলাকাবাসিদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছিল । মঙ্গলবার সকালে শাহী মসজিদ কমিটির উদ্যেগে এলাকায় মাইকিং করে প্রায় ৫শতাধিক জনসাধারন একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে প্রদক্ষিন শেষে এলাকাবাসীর পক্ষে আলমগীর হোসেন ও ইসমাইল হোসেন ফকির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান খানের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে  লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গতকাল থেকে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসার সামনে  পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ।
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক বলেন, আমার পিতামহ ও তিন আত্মীয়ের পূর্বপুরুষেরা জমিদারের নিকট থেকে পুকুরটির পত্তন নেন। সেই সূত্রে আমরা পুকুরটির মালিক। আমরা পুকুরটির মালিকানা চেয়ে ট্রইব্যুনালে মামলা করি। আদালতের রায় আমাদেও পক্ষে আসায় সরকার পক্ষ আপিল করে। আপিলেও সরকার পক্ষ হেরে যায়। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় সাংসদ গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন বলেন, আদালতে ভূয়া কাগজপত্র উপস্থাপন কওে কতিপয় লোক পুকুরটি তাদের নামে নিয়েছে। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করার জন্য উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।