Pages

Categories

Search

আজ- শুক্রবার ১৬ নভেম্বর ২০১৮

তাড়াশে ইভটিঁজারের পক্ষে মানববন্ধন করার চেষ্টা

manob
এ এম জাহিদ হাসান, চলনবিল ব্যুরোচীফ: সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ইভটিজারের পক্ষে মানববন্ধন করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হলেন ইভটিজারের ভায়েরাভাই সাংবাদিক আঃ সালাম।
প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের মান্নাননগর মহাসড়কে সাংবাদিক আঃ সালাম কতিপয় ভাড়াটিয়া লোকজনকে নিয়ে তার ভায়েরাভাই ইভটিজার নজরুল ইসলামের পক্ষে মানববন্ধন করার চেষ্টা করে। স্থানীয় জনতাকে নিয়ে মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালামকে ইভটিজার নজরুল ইসলামের পক্ষে মানববন্ধন না করার জন্য বলেন। ইউপি চেয়ারম্যানের নিষেধ অমান্য করে মানববন্ধন করার চেষ্টা করলে সালাম, তার শ্যালক রুবেল হোসেন ও খালু শশুর কে উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দেয়। গণধোলাই খেয়ে সালাম পালিয়ে গেলেও শ্যালক রুবেল হোসেন ও খালু শশুর আফজালকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। এ ব্যাপারে মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বাচ্চু ক্ষোভের সাথে জানান, একজন সাংবাদিক নৈতিকতা হারিয়ে কিভাবে ইভটিজারের পক্ষে মানববন্ধন করতে আসে। আমি নিষেধ করার পরেও মানববন্ধন করার চেষ্টা করলে জনতা তা প্রতিহত করে দেয়। তাড়াশ থানা অফিসার ইনচার্জ এটিএম আমিনুল ইসলাম জানান, থানা প্রশাসনকে কোন প্রকার অবহিত না করেই আঃ সালাম তার ভয়েরাভাই ইভটিজার নজরুল ইসলামের পক্ষে মানববন্ধন করার চেষ্টা করে। ঘটনা শোনার পর পুলিশ পাঠিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনকে সড়িয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। উল্লেখ্য গত ৫ জানুয়ারী উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের আমবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার বিএসসি শিক্ষক সালামের ভায়েরাভাই নজরুল ইসলাম প্রাইভেট পড়ানোর সুবাদে তাড়াশ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর জনৈক ছাত্রীকে মোবাইলে আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে এবং ছাত্রীর ছবি ফেইসবুক ও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ওই ছাত্রী ও তার বন্ধবীরা বিষয়টি অভিভাবককে জানায়। সচেতন অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তাড়াশ থানা অফিসার ইনচার্জকে লিখিত ভাবে অবহিত করেন। ওই লম্পট শিক্ষক নির্যাতিতা ছাত্রীর বাসায় প্রইভেট পড়াতে আসলে অভিভাবক পুলিশে খবর দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই লম্পট শিক্ষক মিজানুর রহমান নামক এক অভিভাবককে লাথি মেরে সিড়িঁ থেকে ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। স্থানীয় জনতা লম্পট শিক্ষককে ধরে উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ জিল্লুর রহমান খাঁনের ভ্রাম্যমান আদালত অভিযুক্ত শিক্ষককে দন্ড বিধি ৫০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।