Pages

Categories

Search

আজ- শনিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৮

টঙ্গীতে জলাবদ্ধতা: হাসপাতাল থানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সড়কে পানি

জুন ২৫, ২০১৫
গাজীপুর মহানগর
No Comment

Tongi_pic-_25-06-2015_(5)[1]রাজীব সরকার:
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর কিছু এলাকায় বুধবার ভোর রাতে টানা বর্ষণে স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। টঙ্গীর সরকারি হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও থানা চত্বর ছাড়াও সুরতরঙ্গ রোড, সুলতানা রাজিয়া রোড, মোক্তারবাড়ি রোড, সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ রোড, টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসক-রোগী, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পোশাক শ্রমিকসহ এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এছাড়া টঙ্গীর মিলগেট বিসিক শিল্প নগরীতে কিছু শিল্প কারখানায় জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। ওইসব কারখানার শ্রমিকরাও পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।
টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের পথ ও মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। মাঠের পানি কলেজ ক্যাম্পাসের মসজিদের ভেতরেও ঢুকে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে পানি কিছু কমলেও জলাবদ্ধতা থেকেই গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। মসজিদে নামাজ পড়া সম্ভব হচ্ছে না। মহাসড়ক থেকে কলেজ পর্যন্ত ১০০-১৫০ফুট পথ রিকশায় পার হতে গিয়ে তাদের ১০-২০টাকা ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
টঙ্গী সরকারি কলেজের মাঠ পানিতে পূর্ণ হয়ে আছে। পানি মাঠে এমনভাবে জমে আছে, যে এখন রিকশায় চড়ে এসে সরাসরি গিয়ে অফিসে নামতে হয়। মাঠে নামা যাচ্ছে না। একই অবস্থা পাশের টঙ্গী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ রোড, সুলতানা রাজিয়া রোড়, মোক্তার বাড়ি রোডসহ আশে-পাশে এলাকায় জলাবদ্ধতা রয়েছে।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল চত্বর ও নীচ তলার মেঝেতে প্রায় হাটু পানি ছিল। বেলা বাড়ার সাথে সাথে পানি কমে গেলেও দুপুর ২টা পর্যন্ত নীচ তলার মেঝেতে পায়ের পাতা পর্যন্ত পানি ছিল। এসময় নীচ তলার জরুরী বিভাগ ছাড়া অন্য সকল বিভাগ দোতলায় স্থানান্তর করে রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসক ও রোগীদের বেশ সমস্যা হচ্ছে।

টঙ্গী থানার ওসি  মোহাম্মদ আলী জানান, থানা ক্যাম্পাসে শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ২ফুট পানি জমাট বেধে রয়েছে। এজন্য এলাকাবাসি ও পুলিশ থানায় যেতে সমস্যা হচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে পানি কিছুটা  কমেছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. আসাদুর রহমান কিরন জানান, ওই এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১০-১৫ (নীচে পানি যাওয়ার ) একটি সরু কালভার্ট রয়েছে। এ দিয়ে পুরো এলাকার পানি অতিক্রম করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অবগত করলেও কোন ফল হয়নি।
গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবুজ উদ্দিন খান জানান, ওই কালভার্টের ব্যাপারে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বা  সাবেক টঙ্গী পৌরসভার তরফ থেকে কোন রিকুইজিশন দেয়নি। তবে শুনেছি ওই কালভার্লটি ব্রটিশ আমলের তৈরি। মহাসড়ক  থেকে এটি প্রায় ১৫ফুট নীচে রয়েছে। এটি পরিস্কার করে রাখলে পানি কিছুটা নেমে যায়। এর দেখাশুনার দায়িত্ব গাজীপুর সিটি করপোরেশনের। তবে এটা সংস্কার ও বড় করলে এলাকার পানি দ্রুত নেমে যাবে।