Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জোড়া খুনের অপরাধে শ্যালকের ফাঁসি ও যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত

সেপ্টেম্বর ২, ২০১৫
আইন- আদালত, টঙ্গী, ফাঁসি, শীর্ষ সংবাদ, হত্যা
No Comment

Murder_Accused_Death_sentenc

গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট: গাজীপুরের টঙ্গীর আরিচপুরে টাকা চেয়ে না পেয়ে জোড়া খুনের অপরাধে শ্যালকের ফাঁসি ও যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। বুধবার সকালে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামীকে ১০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের কারাদন্ডের আদেশও দেয়া হয়েছে। এসময় কাঠগাড়ায় আসামী বদরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলো।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গীর আরিচপুর বউ বাজারের লাতিফ গাজীর বাড়ীতে পাশাপাশি বাসায় ভাড়া থাকতেন ইসমাইল ও বেলাল। ইসমাইলের শ্যালক আসামী বদরুল ইসলাম বেড়াতে আসে। ঘটনার দিন বদরুল দুলাভাইয়ের নিকট টাকা চায়। টাকা দিতে না পারলে ২০১০ সালের ১৫ জুন বিকালে বদরুল উপর্যুপরি ছুড়িকাঘাতে তার দুলাভাই ইসমাইলকে তার মায়ের সামনে হত্যা করে। এসময় ইসমাইলের মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশী বেলাল এগিয়ে আসলে আসামী বদরুল তাকেও ছুড়িকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে বেলাল ও  মারা যায়। এ ঘটনায় বেলালের ভাই মোঃ ফজলু বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বদরুল ময়মনসিংহ জেলার গফরগাও থানার রৌহা গ্রামের আঃ হামিদের ছেলে। ঘটনার পরদিন ১৬ জুন পুলিশ আসামী বদরুলকে গ্রামের বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ পরিদর্শক রাজিউর রহমান এ ঘটনায় বদরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে ২০১১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় ১৩ জন স্বাক্ষী আদালতে স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।

আসামীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট হুমায়ুন কবির এবং সরকার পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট হারিছ উদ্দিন আহমেদ।

মামলার রায়ে আসামীপক্ষ ন্যায় বিচার পায়নি বলে দাবী করে আপীলের কথা জানালেন এডভোকেট হুমায়ুন কবির।
মামলার রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাদীপক্ষ রায়ে সন্তোষ্ট বলে জানালেন পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট হারিছ উদ্দিন আহমেদ।