Pages

Categories

Search

আজ- শুক্রবার ১৬ নভেম্বর ২০১৮

গোপালগঞ্জে সাইনবোর্ডহীন আওয়ামীলীগ অফিস

অগাষ্ট ২২, ২০১৫
গোপালগঞ্জ, রাজনীতি
No Comment

photo_of_bongobondhu's_bari_in_gopalganj_city[2]

মোহাম্মদ মাহমুদ কবির আলী, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ জেলা শহরের ব্যাংকপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  বাল্য স্মৃতি বিজড়িত বাড়ীটি বড় অনাদর অবহেলায় পড়ে আছে যুগ যুগ ধরে। স্বাধীনতার পর আওয়ামীলীগ সরকার বারবার ক্ষমতায় আসলেও  বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পিতার স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটি পড়ে  আছে কোন স্থাপনা ছাড়াই। আগে সেখানে বস্তি গড়ে উঠেছিলো। অনেক লেখা লেখির কারনে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি থেকে বস্তি তুলে দিয়ে সেখানকার বসতিদের আশ্রয় প্রকল্পে পূর্নবাসন করা হয় কয়েক বছর পূর্বে। একই সাথে পুরনো আমলের দুটি টিনের ঘর ভেঙ্গে ফেলা হয়। বড় টিনের ঘরে বঙ্গবন্ধু থাকতেন এবং  অপরটি ব্যবহার হতো কাচারী ঘর হিসাবে। ২০০৭ সালে সামরিক বাহিনীর সমর্থন পুষ্ট অন্তর্বর্তী সরকার  ক্ষমতায় আসলে শহরের পুরনো লঞ্চঘাটস্থ জেলা আওয়ামীলীগ অফিস ও তৎসংলগ্ন পৌর মার্কেট ভেঙ্গে ফেলা হয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে। ব্যাপারটি সে সময় আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাও মেনে নেন এবং তিনি জেলা আওয়ামী লীগ অফিস সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে একমত হন। আসলে সে সময় পৌর মার্কেট ভেঙ্গে পরবর্তীতে শহর সৌন্দর্যকরন করা তার মানসিকতায় বিদ্যমান ছিলো বলে পৌর মার্কেটের সাথে জেলা আওয়ামীলীগ অফিসও সরিয়ে নিতে মত দেন তিনি। কিন্তু গোপালগঞ্জ শহরের সৌন্দর্যবর্ধন কাজের কথা  প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা  বর্তমান সময়ে বেমালুম ভুলে গেছেন। ২০০৭ সালে সামরিক বাহিনীর তৎপরতায় যখন জেলা আওয়ামী লীগ অফিস ও পৌর মার্কেট ভেঙ্গে ফেলা হয় তখন বঙ্গবন্ধুর বাল্য স্মৃতি বিজড়িত বাড়ীটিতে একটি টিন শেড ঘর তুলে আওয়ামীলীগ অফিস হিসাবে ব্যবহার করা শুরু হয় শেখ হাসিনার সম্মতি সাপেক্ষে। বাড়ীর সামনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুটি পৃথক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। সাইনবোর্ড দুটি  সেখানে ছিলো কয়েকদিন পূর্বেও। কিন্তু বর্তমানে দুটি সাইনবোর্ডের একটিও নেই জেলা আওয়ামীলীগ অফিস তথা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত বাড়ীটিতে। ঐ বাড়িিটর আশে পাশে কাউকে জিজ্ঞাসা করেও কোন সদুত্তর পাওয়া যায় নাই। উপরন্তু ভয়ে অনেকেই চুপসে গেছে । জেলা,উপজেলা বা শহর আওয়ামী লীগ সহ কোন অংগ বা সহযোগী সংগঠনের নেতাদেরকে অফিসটিতে দেখা যায় না বেশ কয়েকদিন ধরে। তবে শনিবার বিকালে মোবাইল ফোনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক কাজী লিয়াকত আলী  জানিয়েছেন অতি বৃষ্টিতে সাইনবোর্ডগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।