Pages

Categories

Search

আজ- মঙ্গলবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

৫ জনের ফাঁসি ও এক জনের যাবজ্জীবন, গাজীপুর আদালত চত্তরে ব্যবসায়ী সাঈদ হত্যার বিচারের অপেক্ষায় থাকা স্বজনরা খুশি

20160904_141146[1]
গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট: ব্যবসায়ী সাঈদ হত্যার বিচারের পূর্ব নির্ধারিত তারিখ ছিল আজ রোববার। তাই স্বজনরাও পোষ্টার হাতে নিয়ে সর্বোচ্চ সাজার আশায় অপেক্ষা করছিলেন। প্রত্যাশিত রায় পেয়ে স্বজনরা খুশি।
গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রম এলাকার আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে ৫ জনের ফাঁসি ও এক জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ হওয়া আসামীর জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেয় আদালত। গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক আজ রোববার দুপুরে এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামী দেলোয়ার হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকী আসামীরা পলাতক রয়েছে।
মামলার বাদী ও আদালত সুত্রে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রম এলাকার মো: নূরুল ইসলামের পুত্র আবু সাঈদকে ২০০৮ সালের জুন মাসের ১৭ তারিখ রাতে আসামীরা হত্যা করে। পরদিন রেল লাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানিয় ব্যবসায়ী আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায় ১৮ জুন জয়দেবপুর থানায় ইয়াকুব, দেলোয়ার হোসেন, মাসুদ ও হান্নান সহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪জনকে আসামী করে হত্যার স্বীকার আবু সাঈদের পিতা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রফিকুল ইসলাম-১ অন্যত্র বদলী হলে এস আই সৈয়দ আজাহারুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন । তদন্ত শেষে পুলিশ এজাহারভূক্ত ৪ আসামী সহ মনির ও ইকবাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জসীট দাখিল করে।
স্বাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে আজ রোববার দুপুরে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ হত্যা মামলার রায়ে পাঁচ আসামী ইয়াকুব, দেলোয়ার হোসেন, হান্নান, মনির ও ইকবাল হোসেন কে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদন্ড সহ দশ হাজার টাকা জরিমানা করে। এবং আসামী মাসুদকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাসের সশ্রম কারাদন্ড দেয়। আদালত রায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকরের নির্দেশ দেন। আসামীরা নিহত আবু সাঈদের পূর্ব পরিচিত ও একই এলাকার বাসিন্দা।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, পিপি আলহাজ্ব হারিছউদ্দিন। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, সিনিয়র আইনজীবী মো: হুমায়ুন কবির, মো: লাবীব উদ্দিন ও মো: সালেহ উদ্দিন রিপন। রায় ঘোষণার সময় বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন। বাদী নূরুল ইসলাম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।