Pages

Categories

Search

আজ- রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮

গাজীপুরে দুই আন্তঃজেলা ডাকাত গ্রেফতার, পিস্তলের গুলি ও মালামাল উদ্ধার

জুন ২৯, ২০১৫
গাজীপুর মহানগর, ডাকাতি
No Comment

গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট: গাজীপুরে টঙ্গীর কামারপাড়া এলাকায় প্রাইভেটকারের কাঁচ ভেঙ্গে গুলিভর্তি পিস্তল ও প্রায় দু’লাখ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করার ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের দু’সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে পিস্তলের গুলিসহ লুণ্ঠিত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- কুমিল্লার লাকসাম থানার ভান্নাঘর এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে মানিক হোসেন (২০) ও রাজধানীর তুরাগ থানার কামারপাড়া পাটুনিয়া এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে সাগর (২০)। সোমবার দুপুরে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশিদ জানান, গত ১৬ জুন ৯/১০ জন দুর্বৃত্ত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গী কামারপাড়া এলাকার ব্রিজের কাছে দাঁড়ানো অবস্থায় একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে। এসময় দুর্বৃত্তরা ওই গাড়ি থেকে গরীব এন্ড গরীব কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হকের লাইসেন্সকৃত গুলিভর্তি পিস্তল, ট্যাব, নগদ দু’লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এঘটনায় ওই কর্মকর্তা টঙ্গী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গাজীপুর পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্ত মানিককে জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার উলুখোলা এলাকার বোনের বাড়ি থেকে শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে গ্রেফতার করে। পরে তার ¯^ীকারোক্তি মতে পরদিন রবিবার ব্রাহ্মনবাড়িয়ার কসবা এলাকা থেকে সাগরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত একটি মোবাইল ফোন সেট ও ট্যাব উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যে পুলিশ মৌলভী বাজারের জুরী থানার পাচিরপুর এলাকায় অভিযুক্ত রাসেলের নানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লুন্ঠিত পিস্তলের ৬ রাউন্ড গুলি, পিস্তলের কভার, দামী হাত ঘড়ি উদ্ধার করে। পুলিশ এসময় রাসেলকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ জানান, অভিযুক্তরা সবাই আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তারা প্রায়ই এলাকায় ডাকাতিসহ নানা অপরাধ সংঘটিত করে আসছে। পালিয়ে থাকা অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃত মানিক কালীগঞ্জ এলাকায় চা বিক্রি করতো এবং সাগর টঙ্গীর নিশাত নগর এলাকায় পোশাক কারখানায় চাকুরি করতো। আত্মগোপনে থাকা রাসেলের প্ররোচনায় ও অধিক টাকা আয়ের প্রলোভনে পড়ে এ পেশায় নামে গ্রেফতারকৃতরা। রাসেল ওই ঘটনায় মানিককে ৫ হাজার টাকা ও সাগরকে ১৫ হাজার টাকা বখসিশ দেয়।