Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

গাজীপুরে কিশোরীকে ধর্ষণ, আটক ৪

(প্রতিকী ছবি)

(প্রতিকী ছবি)

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরে এক কিশোরীকে (১৬) দুই দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাসহ তিন জন। এরা হচ্ছে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ (২৮), একই ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শহিদ (২৬) ও স্থানীয় এক লন্ড্রি মালিক সুজন (৩০)। ধর্ষনের ঘটনায় তিন ধর্ষক ও ধর্ষনের সহযোগিতার জন্য মুক্তা (৩০) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

ধর্ষিতার মা জানান, স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ি এলাকার হরিণাচালার আমতলায় বিল্লাল শিখদারের বাড়িতে ভাড়া থাকি। গত কিছু দিন যাবৎ স্থানীয় লন্ড্রি মালিক সুজন ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। সুজন পুর্বে বিবাহ করায় এবং তার একাধিক সন্তান থাকায় কিশোরীর পরিবারটি বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই কিশোরীটিকে বিয়ের ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা শহিদ ও নাহিদের স্মরণাপন্ন হয় সুজন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় কথা আছে বলে স্থানীয় মুদি দোকানদার মুক্তা বেগম ওই কিশোরীকে ওই এলাকার সুমনদের সাত তলা ভবনের সপ্তম তলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে কিশোরীটিকে কৌশলে কক্ষে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে আসে মুক্তা বেগম। রাতে নাহিদ, শহিদ ও সুজন ওই বাড়িতে গিয়ে কিশোরীটিকে পালাক্রমে ধর্ষন করে। পরদিন শুক্রবারও তারা ওই বাসায় গিয়ে একই ভাবে কিশোরীটিকে ফের ধর্ষণ করে। শনিবার তারা কিশোরীটিকে ছেড়ে দেয়।

কিশোরীটির মা আরো জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মেয়ে বাসায় না ফেরায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেন। এক পর্যায়ে শনিবার বাসায় ফিরলে সে ঘটনাটি তাকে জানায়। পরে বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর সেলিম রহমানকে জানানো হয়।

জয়দেবপুর থানার কোনাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোবারক হোসেন জানান, কাউন্সিলর সেলিম রহমান অভিযুক্তদের রোববার তার কার্যালয়ে ডেকে আনেন এবং বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে দুপুরে অভিযুক্তদের আটক এবং ধর্ষনের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় পাঠানো হয়।

জয়দেবপুর থানার ওসি খন্দকার রেজাউল হাসান রেজা জানান, এ ঘটনায় তিন ধর্ষক ও এক নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এমএইচএস