Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

গাজীপুরে কলেজছাত্র খুনের দায়ে ৯ জনের ফাঁসিরদন্ড  

   মঞ্জুর হোসেন মিলন: গাজীপুরের শাহাদাত হোসেন সোহাগ নামে এক কলেজছাত্র খুনের দায়ে ৯ জনকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা রায় দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ বিচারক ফজলে এলাহী ভূইয়া এ আদেশ প্রদান করেন।

এছাড়া অন্য একটি ধারায় প্রত্যেককে ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড এবং ১ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং আরেকটি ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদন্ড দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, গাজীপুর মহানগরের নিয়ামত সড়ক এলাকার শামসুল হকের ছেলে সেলিম ও একই এলাকার আব্দুল সোবাহানের ছেলে আসাদুল ইসলাম, উত্তর ছায়াবীথি এলাকার নাজমুল হকের ছেলে জহিরুল ইসলাম ওরয়ে জাকির হোসেন ওরফে জন্টু, বিলাশপুর এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে জুয়েল, শেরপুরের ঝিনাইগাতি থানার বাঘেরভিটা এলাকার বাক্কা মিয়ার ছেলে বাক্কা সুমন, দক্ষিণ ছায়াবীথী এলাকার মো: আ: মালেকের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম ওরফে প্রিতম ওরফে প্রিতু ওরফে ইতু, রথখোলা এলাকার সিদ্দিকের ছেলে আরিফ, সামন্তপুর এলাকার লেহাজ উদ্দিনের ছেলে মো: হানিফ এবং উত্তরবিলাশপুর এলাকার মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে রিপন আহমেদ জুয়েল।
এদের মধ্যে সেলিম, হানিফ ,জুয়েল এবং আসাদুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় বাকি ৫ জন উপস্থিত ছিলো।

গাজীপুর আদালতের এপিপি মো: আতাউর রহমান জানান, সোহাগ গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলো। ২০১০ সালের ৮ জানুয়ারি সোহাগের বন্ধু বিহন কায়সার ফোন করে তাকে জেলা শহরের রাজবাড়ি মাঠে আসতে বলে। সোহগ তার বন্ধু নাহিদকে সাথে নিয়ে ওই মাঠে গিয়ে দেখে বিহন কায়সার, তার স্ত্রী আখি এবং আসামীদের দেখতে পায়। সেখানে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামীরা ছুরি, কিরিচ, ক্রিকেটের স্ট্যাম্প ইত্যাদি নিয়ে সোহাগসহ তাদের ওপর হামলা করে। আসামীরা ছুরি দিয়ে সোহাগকে আঘাত করে। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় সোহাগকে রিক্সাযোগে হাসপাতালে নেয়ার পথে আবারো হামলা ও ছুরিকাঘাত করে। পরে সোহাগকে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সোহাগের পালিত বাবা আবুল হাসেম সুফি বাদি হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।