Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৭ মে ২০১৯

গাজীপুরে ইটভাটা ভেঙ্গে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান আদালত


গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট : পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও কোন প্রকার অনুমোদন না থাকায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বাইমাইল এলাকায় ৩টি ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালায়। বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন গাজীপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস। এছাড়াও ইটভাটা ৩টির মালিককে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ইট তৈরির বিভিন্ন মালামাল ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ডের বাইমাইল এলাকায় আওলাদ হোসেনের মালিকানাধীন পর্বত অটো ব্রিকস, হাজী সবদুল শেখের মালিকানাধীন এসএম ব্রিকস ও সিরাজুল ইসলামের এমএসসি ব্রিকসে অভিযান চালানো হয়। পরে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ অনুসারে ইটভাটা ৩টি ভেকু দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় এবং ফায়ার সার্ভিসের পানি দিয়ে ইটভাটার আগুন নেভানো হয়। এ সময় ওই ৩টি ইটভাটার প্রত্যেক মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং ইট ভাটায় ব্যবহৃত বিভিন্ন মালপত্র ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ফসলী জমি থেকে অবৈধভাবে গভীর গর্ত করে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে ওই এলাকায় একটি ভেকু (মাটি কাটার মেশিন) ভেঙ্গে ফেলা হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সালাম সরকার, রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন, পরিদর্শক শেখ মুজাহিদ, গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. জাকারিয়া খান এবং পুলিশ প্রশাসন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ১৯০টি ইটভাটা রয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকটি ইটভাটায় কোন কার্যক্রম নেই, বন্ধ রয়েছে। অপর ইটভাটাগুলোতে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
গাজীপুরের পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সালাম সরকার জানান, সিটি করপোরেশন এলাকায় কোন ধরনের ইটভাটা স্থাপন ও পরিচালানা করার নিয়ম নেই। এসব ইটভাটাকে গত ২০১৪ সালে অন্য কোনো জায়গায় স্থানান্তর করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু অনেক ইটভাটা এখনো সিটি করপোরেশন এলাকায় রয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যহত থাকবে।