Pages

Categories

Search

আজ- বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কালিয়াকৈরে পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫০

গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট: গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে দুই শ্রমিক গুলিবিদ্ধ ও এক পুলিশ অফিসারসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। রোববার দুপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাকের এলাকার এটিএস এ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ দুই শ্রমিককে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন- ওই কারখানার সুইং অপারেটর সুমি খাতুন (২৫) ও আক্তারী বেগম (৩০)।
শ্রমিকরা জানান, কারখানার স্টাফদের তিন মাসের এবং শ্রমিকদের দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ নিয়ে গত দুদিন ধরে বকেয়া বেতনের দাবি জানিয়ে আসছিল। এর জেরে রোববার সকাল থেকে ওই কারখানার শ্রমিক ও স্টাফরা কারখানার অভ্যন্তরে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করতে থাকে।
খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের লাঠিচার্জ, কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও শটগানের ফাঁকা গুলি করে শ্রমিকদের ছত্রবঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। এ ঘটনায় দুই শ্রমিক গুলিবিদ্ধ, দুই পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়। আহতদের গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক প্রণয় ভূষন দাস জানান, দুজনকে পায়ে রাবার বুলেটবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিল্প পুলিশ গাজীপুর-২ এর সহকারী পুলিশ সুপার নুর আলম জানান, শ্রমিকদের শান্ত করতে গেলে তারা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এক এসআইসহ দুই পুলিশ আহত হয়েছে। পরে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকার এটিএস এ্যাপারেলস লিমিটেড নামে তৈরি পোশাক কারখানায় বকেয়া বেতনের দাবীতে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এসময় পুলিশ ও শ্রমিকের সংঘর্ষে কর্মপক্ষে অর্ধশতাধিক শ্রমিক আহত হয়। দুই শ্রমিককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিল্প-পুলিশ গাজীপুর-২ এর সহকারী পুলিশ সুপার নুর আলম জানান, শ্রমিকদের শান্ত করতে কয়েক রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। এর পর শ্রমিকরা ছত্রবঙ্গ হয়ে চলে গেছে।