Pages

Categories

Search

আজ- সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কাপাসিয়ায় ২০ জন পরীক্ষার্থীর ভাগ্য অনিশ্চিত

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৭
কাপাসিয়া, পরীক্ষা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
No Comment

uu[1]

মোঃ আঃ কাইয়ুম : চলতি দাখিল পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠান প্রধানের গাফিলতির কারণে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক নগর দারুল হাদিস আলিম মাদরাসার ২০ জন পরীক্ষার্থীর ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাদের বিগত ২ বছর শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে পড়াশোনা করানো হলেও পরীক্ষার হলে তাদের হাতে প্রশ্ন তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের। এ নিয়ে কেন্দ্রে বিশৃক্সখল পরিবেশ তৈরী হলেও তাদেরকে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়েই পরীক্ষা দিতে হয়েছে।পরে বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা মাদরাসায় ফিরে গিয়ে এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে হামলা ও ভাংচুর চালায়।

জানা যায়, উপজেলার টোক নগর দারুল হাদিস আলিম মাদরাসার ২০ জন শিক্ষার্থী বেলাশী ফাযিল মাদরাসা কেন্দ্রে চলতি দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি তারা শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে প্রস্ততি নিয়ে পরীক্ষা দিতে গেলে হাতে পায় বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের প্রশ্নপত্র। তৎক্ষনাত পরীক্ষা কেন্দ্রেই হৈচৈ শুরু করে পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থী ইমরান হোসেন, মোসাদ্দেক মিয়া ও মামুন জানায়, গত ৩১ জানুয়ারি আমরা প্রবেশ পত্র হাতে পাই। প্রবেশ পত্রে শারীরিক শিক্ষার কোড না পেয়ে আশরাফুল স্যারকে বিষয়টি জানাই। তিনি বলেন, কোড পরিবর্তন করে পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন। পরীক্ষার্থী মোসাদ্দেকের মা জানান, মাদরাসা শিক্ষকদের গাফিলতির জন্য আমার সন্তানের ভবিষ্যত নষ্ট হচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই। অভিভাবক আবু বাকার জানান, পরীক্ষা হওয়ার কথা এক বিষয়ে, অথচ দিতে হলো অন্য বিষয়ে। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের গাফিলতির জন্য এমন হলো তা আমরা মেনে নিতে পারিনা।

পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব বিল্লাল হোসেনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ পত্র অনুযায়ি পরীক্ষা নিয়েছি। ওরা যে মাদরাসার পরীক্ষার্থী ওই মাদরাসায় কথা বলেন। টোক নগর দারুল হাদিস আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ ইফাজ উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করলে ঘটনা একটু পরে বলি বলে লাইন কেটে দেন।

কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিসুর রহমান জানান, অভিযোগ শুনেছি। আইনী ব্যবস্থা নিব। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব ছিলো সাথে সাথে আমাকে জানানো।