Pages

Categories

Search

আজ- শুক্রবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: ১১ আসামির খালাসে স্থগিতাদেশ বাড়ল

জুলাই ১৪, ২০১৬
জাতীয়, শীর্ষ সংবাদ
No Comment

71329_00গাজীপুর দর্পণ ডেস্ক:
গাজীপুরের আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে খালাস করে দেয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত বিষয়ে শুনানি আগামী রোববার। ফলে রোববার পর্য ন্ত ১১ আসামির খালাসের রায় স্থগিতই থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ শুনানির জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে গত ২১ জুন আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে খালাস করে দেয়া হাইকোর্টের রায় ১৪ জুলাই পর্যান্ত স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

সে অনুযায়ী আজ শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন ধার্য্ ছিল।

কিন্তু আইনজীবীদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত শুনানির দিন পিছিয়ে রোববার ধার্য্ করেন।

হাইকোর্টের রায়ে খালাস পাওয়া ১১ আসামি হলেন, আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল (পলাতক), লোকমান হোসেন ওরফে বুলু, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির (পলাতক), খোকন (পলাতক), দুলাল মিয়া, রাকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী, জাহাঙ্গীর (পিতা মেহের আলী) ও মনির।

গত ১৫ জুন আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। অপরদিকে ১১ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ড পাওয়া আসামিরা হলেন,নুরুল ইসলাম সরকার,নুরুল ইসলাম দিপু, মাহবুবুর রহমান,কানা হাফিজ,সোহাগ,শহিদুল ইসলাম শিপু।

যাবজ্জীবন প্রাপ্ত ৮ আসামি হলেন,মোহাম্মদ আলী,সৈয়দ আহমদ হোসেন মজনু,আনোয়ার হোসেন আনু,বড় রতন,ছোট জাহাঙ্গীর,আব্দুস সালাম,মশিউর মিশু।অন্যদেরকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়,২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। তার সঙ্গে খুন হন ওমর ফারুক রতন নামে আরেকজন।

মুক্তিযোদ্ধা, আহসান উল্লাহ মাস্টার ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টঙ্গী থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি গাজীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি আহসান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যুর পর এখন তার ছেলে জাহিদ আহসান রাসেল ওই আসনের সংসদ সদস্য।

ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

তদন্ত শেষে এই মামলায় ওই বছরের ১০ জুলাই ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২৮ অক্টোবর ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ জন এবং আসামিপক্ষে দুজন সাক্ষ্য দেন।

এই মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, খালাস পান অন্য দুজন।