Pages

Categories

Search

আজ- বুধবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আজ বিচার বিভাগে ধ্বস নেমেছে —-আ ক ম মোজাম্মেল হক

SAMSUNG CAMERA PICTURES
গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট :  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পত্রিকার উব্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, আজ বিচার বিভাগে ধ্বস নেমেছে। আজকে বিচারপতিরা রায় দিয়েছেন ৫ বছরের নির্বাচিত সরকার ৪বছর দেশ চালাবে, বাকী এক বছর ৩০ দল চালাবে। কোথা থেকে এসব জজ আমদানী করা হয়েছে আমরা জানিনা। কি বলতে তারা কি বলে? এ যেন গল্পের ভাষায় পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়। বিচার হয়েছে- ১৫৩ আসনে যারা বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তারা বৈধ কি বৈধ নয়। তাদের বৈধ বলার পর অযাচিতভাবে কিছু ব্যাপার অবতারনা করছেন। আমরা আশা করি বিচার বিভাগ এব্যাপারে সচেতন থাকবেন। অযাচিতভাবে দেশের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য এধরনের বিচার কার্য বা এসমস্ত রায় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকবেন। আমরা মনে করি আজ সবাইকে সজাগ হতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে পরিনত করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে জঙ্গীবাদ আইএস যেভাবে ইসলামী রাস্ট্র কায়েমের নামে ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাস্ট্র ক্ষমতা দখল করতে চায়, সেভাবে আমাদের বাংলাদেশেও তারা তৎপর আছে। সেজন্য আমাদের নেতা কর্মীদের সজাগ থাকতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিরবক্তব্যে এসব কথা বলেন। স্থানীয় মালেকের বাড়ি এলাকায় গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল্যাহ মন্ডল, গাজীপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়াজ উদ্দিন মিয়া, টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রজব আলী প্রমুখ।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কারণে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার আদেশ এসেছিল ইয়াহিয়া সরকারের আমলে। আমরা যখন যুদ্ধ করছিলাম, তখন আগস্ট মাসেই বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা জন্য ইয়াহিয়ার আদালত থেকে সেদিন আদেশ দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানীরা তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। দুঃখের বিষয় আমাদেরই কিছু কুলাঙ্গার বাঙালি দ্বারা সে আদেশ তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এ দেশে বাস্তবায়ন করেছে। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট সেই রাতে বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি একটি কুটনৈতিক কার্যালয় সারা রাত খোলা ছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার খবর তারা তাদের প্রভুদের নিশ্চিত করার পরেই সেই দুতাবাসের কার্যক্রম সে দিন বন্ধ ছিল। আমরা মনে করি হত্যাকান্ড বাস্তবায়নকারীদের বিচার হয়েছে। কিন্তু যারা চক্রান্তকারী তাদের বিচার এখনো হয়নি। ইনশা আল্লাহ, বঙ্গবন্ধুর রক্তের ও আদর্শের উত্তরাধিকার সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সরকার সে ব্যাপারে ব্যবস্থা করবেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বিএনপি চেয়ারপার্সনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার ¯^ামী বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। আপনার ছেলে তারেক রহমান ২০০৪ সালের গ্রেণেড হামলার সঙ্গে জড়িত এবং আপনি জামায়াতে ইসলামীর অঘোষিত আমীর। সরকারের কোনো কর্মকান্ডকে বিভ্রান্ত করতে চাইলে এর জবাব জনগণ বিগত দিনে দিয়েছে ভবিষ্যতেও দিবে।