Pages

Categories

Search

আজ- বৃহস্পতিবার ২২ নভেম্বর ২০১৮

অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধের নির্দেশঃ তবুও বন্ধ হচ্ছে না

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৫
অনিয়ম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
No Comment

2015_07_02_11_17_56_MoVdjrzb87V0k8fswZrdoEkRqAeL9t_originalনিজস্ব প্রতিবেদকঃ
১ মাসের মধ্যে গ্যাসের সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস ও কর্ণফুলিকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা মানা না হলে কোম্পানির প্রধানদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। এ দিকে সরকারের নির্দেশ তোয়াক্কা না করে প্রতিদিনে এবং রাতে অবৈধ সংযোগ ক্রমেই বাড়ছে।
একটি সূত্র বলছেন, এসব অবৈধ সংযোগের সাথে তিতাসের লোকজন জড়িত আছে।

গেলো সোমবারে জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশ দেয়া হয়। বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।
জ্বালানী ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব আবু বকর সিদ্দিক গত নভেম্বরে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরীকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে রোববার নিয়োগ দেয় সরকার। নাজিম উদ্দিন তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নতুন সচিবের পরিচিতিমূলক বৈঠকে জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিভাগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যুৎ জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে বিতরণ কোম্পানিগুলোর কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি তাদের (বিতরণ কোম্পানি) এক মাসের সময় বেঁধে দেন। বলেন, এ সময়ের মধ্যে সব অবৈধ সংযোগ কেটে ফেলতে হবে।
সূত্র জানায় বৈঠকে নসরুল হামিদ বিতরণ কোম্পানির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, ‘কীভাবে এসব চলছে তা আমার জানা আছে। সব কিছু অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রাজধানী ঢাকা এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো বিশেষ করে গাজীপুরের কোনাবাড়ি, মৌচাক, কাশিমপুর, সাকাশ্বর, বরাবর, আমবাগ, এনায়েতপুর, তেলিরচালা, কামরাঙ্গারচালাসহ হাজার হাজার কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস লাইন ও কয়েক লাখ অবৈধ সংযোগ রয়েছে। বিতরণ কোম্পনিগুলো মাঝে মাঝে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য অভিযান পরিচালনা করলেও সুষ্ঠু তদারকির অভাবে আবারও সংযোগ লেগে যায়। এমনকি বিতরণ কোম্পানির কাছেই অবৈধ লাইনের কোনো সঠিক পরিসংখ্যানও নেই।

অভিযোগ রয়েছে, বিতরণ কোম্পানির ঠিকাদাররা ও এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা এসব অবৈধ লাইন ও সংযোগ দিতে সহায়তা করেন এবং অবৈধ সংযোগ প্রদানকারিদের কাছ থেকে গোপনে ঘুষের টাকা লেনদেন রয়েছে।